kalerkantho


পঞ্চগড়ে ভাগিনাকে পুকুরে ফেলে হত্যা করল মামী

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

২৫ জুন, ২০১৮ ২২:৪৪



পঞ্চগড়ে ভাগিনাকে পুকুরে ফেলে হত্যা করল মামী

পঞ্চগড়ে দেবীগঞ্জ উপজেলায় সামিউল আলম নামে ১২ দিনের এক শিশুকে হত্যা করেছে তার মামী নীলুফা বেগম। পরিকল্পিতভাবে ওই শিশুকে পুকুরের পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগে পুলিশ নীলুফা বেগম (২৪) নামে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ সোমবার দুপুরে জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার ইউনিয়নের মল্লিকাদহ ক্লাবগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানায়, দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ক্লাবগঞ্জ এলাকার শাহিদা আক্তারের বিয়ে হয় নীলফামারী জেলা সদরের গোড়গ্রাম মাঝপাড়া এলাকার মনোয়ার হোসেনের সাথে। গত এক মাস আগে সন্তানসম্ভবা শাহিদা সন্তান প্রসবের জন্য তার বাবার বাড়িতে আসেন। এটিই তার প্রথম সন্তান। গত ১৪ জুন কোনো অস্ত্রপচার ছাড়াই বাবার বাড়িতেই তিনি একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেন। ছেলের নাম রাখেন সামিউল আলম। সন্তান প্রসবের জন্য বাবার বাড়িতে আসার পর থেকেই শাহিদার সাথে তার বড় ভাই আব্দুস সামাদের স্ত্রী নীলুফা বেগমের ছোট খাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকতো। সন্তান প্রসবের পর তাদের মধ্যে ঝগড়া আরও বেড়ে যায়। আজ সোমবার সকালে নীলুফা তার ১২ দিনের ভাগিনাকে কোলে নিয়ে এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। পরে পরিবারের লোকজন পুকুর থেকে ওই শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ নীলুফা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা শাহিদা আক্তার তার সন্তানকে হত্যার অভিযোগে নীলুফা বেগমকে আসামি করে দেবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। 

এ ব্যাপারে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শাহা আলম জানান, ওই শিশুকে তার মামী নীলুফা বেগম পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে ওই শিশুর মা বাদী হয়ে নীলুফা বেগমকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। শিশু হত্যার অভিযোগে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

 



মন্তব্য