kalerkantho


শেরপুরে ৬ জেএমবির বিভিন্ন মেয়াদে জেল

শেরপুর প্রতিনিধি    

২৫ জুন, ২০১৮ ১৯:০৯



শেরপুরে ৬ জেএমবির বিভিন্ন মেয়াদে জেল

শেরপুরে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলায় ৬ জেএমবি সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে শেরপুরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এম.এ নূর জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। 

রায়ে দুইজনকে ২০০৮ সালের সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশের ৮ ধারায় ৭ বছর এবং ৯ ধারায় উভয়কে ৬ বছরসহ ১৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া মামলার অপর ৪ আসামিকে একই আইনের ৯ ধারায় ৫ বছর এবং ১২ ধারায় ৬ মাসসহ সাড়ে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। 

সন্ত্রাস দমন আইনে জেএমবি সদস্যদের সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি অ্যাডভোকেট অরূণ কুমার সিংহ রায়। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে তিনি জানান, ২০১০ সালের ২২ জানুয়ারি নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য শেরপুর শহরের ঢাকলহাটী মহল্লার রাজা মিয়ার ছেলে নাজমুস শাহাদাত রানার বাসায় অভিযান চালিয়ে রানা ও তার সহযোগী মনিরুজ্জামান মানিক ওরফে কাওসারকে আটক করে পুলিশ। ওই সময় ওই বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ১৭টি জিহাদি দাওয়াতপত্র ও বেশ কিছু সিডি-ক্যাসেটসহ নিষিদ্ধ সংগঠনের আলামত উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় শেরপুর সদর থানার তৎকালীন এএসআই সজীব খান বাদী হয়ে নাজমুস শাহাদাত রানা ও কাওসারসহ সাতজনকে স্বনামে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করে ২০০৮ সালের সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশের ৮/৯ ধারায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 

পিপি অরূণ কুমার আরো জানান, পরবর্তীতে আসামিরা বিভিন্ন পর্যায়ে আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে আবুল কালাম আজাদ নামে এক আসামি মৃত্যুবরণ করে। চলতি বছরের ২৩ মে ওই মামলায় ৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ১৮ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে উপস্থিত ৫ আসামির জামিন বাতিল এবং অপর আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেওয়া হয়। এদিকে চাঞ্চল্যকর ওই মামলার রায়কে ঘিরে সকাল থেকেই আদালত অঙ্গনে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আসামিদের বিশেষ নিরাপত্তায় জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনাসহ সাজার পর একইভাবে পাঠানো হয় কারাগারে। 



মন্তব্য