kalerkantho


কেরানীগঞ্জে বনভোজনে এসে বিদ্যুৎপৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি    

২৪ জুন, ২০১৮ ১৬:০৫



কেরানীগঞ্জে বনভোজনে এসে বিদ্যুৎপৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

ঢাকার কেরানীগঞ্জের দেওসুর এলাকায় বনভোজনে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন মো. পিয়াল হোসেন (২২) নামের এক যুবক।

মৃত পিয়ালের বাড়ি রাজধানীর ২৪ নম্বর বেগম বাজার লেন গেন্ডারিয়ায়। তিনি ওই এলাকার মো. সাঈদ হোসেনের ছেলে। গতকাল শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে গতকাল রবিবার কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মৃতের পিতা বাদী হয়ে একটি অপমৃত্য মামলা দায়ের এবং আদালতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ নেওয়ার আবেদন করেছেন।

জানা যায়, রাজধানীর গেণ্ডারিয়া এলাকার জনৈক হাজি মো. মুসা মিয়া কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন দেওসুর এলাকায় জমি ক্রয় করে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। ওই বাড়িতে একটি সুইমিংপুলও রয়েছে। সেখানে তার পরিবার ও স্বজনরা মাঝেমধ্যে আসেন। তারা সারা দিন থেকে বনভোজন করে চলে যান।

শনিবার দুপুরে ওই বাড়ির মালিক মুসা মিয়ার স্বজনসহ ১০-১২ জন যুবক গেণ্ডারিয়া এলাকা থেকে বনভোজনে  জন্য আসেন। সেখানে তারা দুপুরের খাবার রান্নাবান্না করে সবাই মিলে বিকেলে সুইংমিংপুলে গোসল করতে নামেন। এ সময় সুইংমিং পুলের ওপরে থাকা একটি বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে একজন পানিতে পড়ে যান। এ সময় সবার নীচে ছিলেন পিয়াল। তিনি নীচে থাকায় উপরের বন্ধুর শরীরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হয়ে আহত হন। বন্ধুরা পিয়ালকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গেণ্ডারিয়া এলাকায় আজগর আলী হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পিয়ালের পিতা জানান, তার ছেলে রাজধানীর ধোলাইখাল এলাকায় মটরপার্টসের ব্যবসা করতেন। শনিবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে হাজি মুসা মিয়ার বাংলো বাড়িতে পিকনিক করতে এসে লাশ হলো তাকে।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওই বাংলো বাড়িটি বন্ধ পাই। লাশ গেণ্ডারিয়া এলাকার আজগর আলী হাসপাতালের হিমাঘরে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে পিয়ালের পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা এবং বিনা ময়নাতদন্তে লাশ নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। 



মন্তব্য