kalerkantho


ফরিদপুরে একদিনে তিন বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

২০ জুন, ২০১৮ ২২:০২



ফরিদপুরে একদিনে তিন বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে একদিনে তিন বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন। আজ বুধবার ইউএনও বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে বাল্য বিয়েগুলো বন্ধ করে দেন।
  
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের বিলকিস মল্লিকের ১৩ বছরের মেয়ে লিজা মল্লিকের বিয়ে ঠিক করা হয়। সে গুনবহা স্টার প্রি-ক্যাডেট অ্যান্ড হাইস্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা রিজাউল মল্লিকের সাথে মা বিলকিস মল্লিকের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। আজ বুধবার সকালে লিজার বিয়ে ঠিক করার খবর পেয়ে ইউএনও গিয়ে তার মা বিলকিস মল্লিককে বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে জানালে তিনি বিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে মুচলেকা দেন।

এ ছাড়াও অপর ঘটনাটি ঘটে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের কামারহাটি গ্রামে। ওই গ্রামের মোস্তফা মোল্লার নাবালিকা মেয়ে সাকিলা আক্তার সাথী(১৪) স্থানীয় সাতৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তার অমতে আজ বুধবার পরিবারটি মেয়ের বিয়ের প্রস্ততি নিচ্ছিল। সাথী বিয়েতে রাজি ছিল না। সে পড়ালেখা করতে চায়। এ ঘটনাটি জেনে ইউএনও ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে বিয়ে বন্ধ করতে বলেন। 

তা ছাড়াও সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার হাসামদিয়া গ্রামে। ওই গ্রামের জাহিদ মীরের মেয়ে সুমা খানমের(১৫) বিয়ে ঠিক করার খবর পান ইউএনও জাকির হোসেন। পরে তাঁর হস্তক্ষেপে সুমা খানমের বাল্য বিয়ে বন্ধ করা হয়।

এসব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইউএনও মো. জাকির হোসেন জানান, লিজা ও সুমা খানমের বাল্য বিয়ে ঠিক করা এবং সাথীর বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে তাদের অভিভাবকদের বুঝিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করা হয়। 

তিনি বলেন, প্রত্যেক অভিভাবক ১৮ বছরের আগে তাদের সন্তানদের বিয়ে দেওয়া হবে না-এ মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন।



মন্তব্য