kalerkantho


ঈদকে কেন্দ্র করে ভোলায় শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদাবাজি

ভোলা প্রতিনিধি   

১৪ জুন, ২০১৮ ১৯:৫৯



ঈদকে কেন্দ্র করে ভোলায় শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদাবাজি

ঈদকে কেন্দ্র করে ভোলা জেলা ট্রাক, ট্যাংক লরী, কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নামে প্রকাশ্যে চলছে চাঁদাবাজি। এই চাঁদাবাজির পেছনে তারা রাজনৈতিক সংগঠনকে ব্যবহার করে কিছু কৌশল অবলম্বন করছে। কখনো বলেন শ্রমিক কল্যাণের জন্য এ কাজ করেন। আবার কখনো নিজেদেরকে সমাজে আত্মমর্যাদাশীল করে তুলতে এ কাজ করছেন তারা। এই চাঁদাবাজির কয়েকটি স্পট রয়েছে ভোলায়। তবে যেখান থেকে টাকা তোলা হোক না কেনো জেলা কমিটির নেতাদেরকে এর ভাগ দিতে হয়। প্রধান কার্যালয় ভোলা টু চরফ্যাশন  বীরশ্রেষ্ট মোস্তোফা কামাল বাসস্ট্যান্ড হলেও এর কোনো সাব ইউনিট নাই দাবি করেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। এ ছাড়াও কিছু শ্রমিক ইউনিয়ন নামধারী কতগুলো ইউনিয়ন ভেদুরিয়া ফেরি ঘাট, ইলিশা ফেরি ঘাট, চরফ্যাশন বাসস্ট্যান্ডে এ রকম চাদাবজি করছে বলে দাবি উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ট্রাক ড্রাইভার কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা অনেক দূর থেকে ভোলাতে আসি। অনেক জায়গায় শ্রমিক ইউনিয়নের নামে আমাদের কাছে টাকা নেওয়া হয়। আমদেরও বাধ্য হয়ে দিতে হয় চাঁদা। এর মধ্যে ভেদুরিয়া ঘাট ও বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসষ্ট্যান্ডে আমাদের বেশি হয়রানি পোহাতে হয়। শ্রমিক কল্যাণের নামে এক ধরনের রশিদ দেওয়া হয়। 

তিনি আরো বলেন, চাঁদার টাকা নেওয়া হয় বেশি। মাঝে মাঝে তাদের হাতে লাঞ্ছিত হতে হয় আমাদের।

এ বিষয়ে ভোলা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুমন তালুকদার বলেন, আমরা শ্রমিক ইউনিয়নের নামে কোনো চাঁদাবাজি করছি না। আমরা শ্রমিকদের কল্যাণে কিছু চাঁদা তুলে তাদের জন্য শুখে দু:খে তা খরচ করি। একই সুরে কথা বললেন অত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন। তিনি বলেন. আমরা ভোলার ভিতরের ট্রাক বা কাভার্ড ভ্যান থেকে ২০ টাকা ও বাহিরের গাড়ি থেকে ৫০ টাকা তুলি। এই টাকা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করি। আমরা কোনো চাঁদাবজি করি না। তবে ভেদুরিয়া ঘাটে শ্রমিক ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজি করা হয়। তারা পরানগঞ্জ বাজার এলাকার শ্রমিক ইউনিয়নের নামে তার থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ঘাটে চাঁদাবাজি করেন।

এ ব্যাপারে ভোলার পুলিশ সুপার মোকতার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেউ অভিযোগ প্রদান করেনি। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মন্তব্য