kalerkantho


ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ

বাংলাবান্ধায় পাথর আমদানি বন্ধ ঘোষণা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি    

২১ মে, ২০১৮ ১৫:০২



বাংলাবান্ধায় পাথর আমদানি বন্ধ ঘোষণা

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে নৈরাজ্য সৃষ্টি ও ব্যবসায়ীদের ওপর সিন্ডিকেট সৃষ্টিকারীদের হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাথর আমদানি বন্ধ ঘোষণা করেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাবান্ধা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের নেতাকর্মীরা এই ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানাানো হয়, তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। ওই সিন্ডিকেট আমদানিকৃত পণ্য আমদানিকারকের অনুমতি ছাড়াই সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীদের চাপ দিয়ে বিভিন্ন পাথরের সাইটে সরবরাহ করতে বাধ্য করে। এভাবে ওই পাথরের সাইটগুলোতে পাথর সরবরাহ ও বিক্রি করে তারা মুনাফার সব টাকা ভাগ করে নেন। এর প্রতিবাদ করলে ওই সিন্ডিকেটের লোকজনের কাছে  মারধরের শিকার হতে হয় ব্যবসায়ীদের।

গত ১৯ মে সন্ধ্যায়ও একইভাবে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা করে ওই সিন্ডিকেটের লোকজন। এ সময় কয়েকজন সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী আহত হন। আহতদের মধ্যে মকছেদ আলী নামের একজনকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই বন্দরে পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে তারা পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন। বন্দরে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত তারা বন্দরে পাথর আমদানি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাবান্ধা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নাহিরুল ইসলাম, সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য নাসিমুল ইসলাম, খন্দকার আরিফ হোসেন ও আলমগীর হোসেন। অন্যদের মধ্যে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবুসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্যের একমাত্র বন্দর বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। পাথরনির্ভর এই স্থলবন্দর থেকে প্রতিদিন সরকার প্রায় অর্ধকোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। 



মন্তব্য