kalerkantho


বিএনপির ৫ নেতাকর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

কুমিল্লা (দক্ষিণ) প্রতিনিধি   

২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ০২:৩৯



বিএনপির ৫ নেতাকর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বিএনপির পাঁচজন নেতাকর্মীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের সরসপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

সরসপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম মানিকসহ বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে।

তাদের দাবি, পুলিশ এই হামলায় সহযোগিতা করেছে মান্নানকে। তবে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান দু'জনই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সরসপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম মানিক, যুবদল কর্মী জয়নাল আবেদীনসহ বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর অভিযোগ, রবিবার রাতে সরসপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনার জের ধরে সোমবার বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা সরসপুরে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে তাণ্ডব ও সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.ইয়াসিন, যুবদল নেতা সাদ্দাম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি স্বপন, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম তুফানসহ বেশ কয়েক জনের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১৫টি ঘর ভাঙচুর করেছে তারা। প্রায় প্রতিটি ঘরেই চালিয়েছে লুটপাট। আগুন দিয়েছে সাদ্দামের ঘরে। এ সময় পুলিশও ছিল ঘটনাস্থলে। পুলিশের সদস্যরাও তাদের সহযোগিতা করেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সরসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আবদুল মান্নান। তিনি কালের কন্ঠকে বলেন, পুলিশের সদস্যরা বিকেলে সরসপুর গিয়েছিলো, আমাকে সাথে যেতে বলেছে চেয়ারম্যান হিসেবে আমিও গিয়েছি। আবার আমরা সেখান থেকে চলেও এসেছি। কিন্তু আমরা কারো বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছি বা লুটপাট করেছি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ ধরণের কোনো ঘটনায় ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত নয় বলে দাবি করেন তিনি।

মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আনোয়ার হোসেন কালের কন্ঠকে বলেন, আমি বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে শুনেছি। আর পুলিশ সেখানে যায়নি, আমিসহ পুলিশের সদস্যরা এখন লক্ষণপুর (সরসপুরের পাশের এলাকা) বাজারে আছি। এছাড়া এ ঘটনায় আমাদের কাছে স্থানীয় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।


মন্তব্য