kalerkantho


লক্ষ্মীপুরে ভুয়া দলিলে ৪ পরিবারের জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৮ ১৮:১৯



লক্ষ্মীপুরে ভুয়া দলিলে ৪ পরিবারের জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর সদরে ভুয়া দলিল সৃজন করে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ৪ পরিবারের জমি দখল করে নেওয়ার পাঁয়তারা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ লক্ষ্যে জমির মালিকদের মারধর ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন জমির মালিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আজ শনিবার দুপুরে সদর উপজেলা ভবানীগঞ্জের চরউভূতি গ্রামে ভুক্তভোগী নারী-পুরুষরা এক সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা। 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জের চরউভূতি গ্রামের ৪ পরিবারের বসতি ও ফসলি জমি কয়েক বছর আগে মাহে আলম পাটওয়ারী ও তার অনুসারীদের কুনজরে পড়ে। মাহে আলম পার্শ্ববর্তী কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ গ্রামের মৃত সোনা মিয়া পাটওয়ারীর ছেলে। জমির মালিকানা দাবি করে ওই পরিবারগুলোর কাছে তিনি চাঁদা দাবি করে আসছেন। এ নিয়ে জেলা আদালতে একাধিক মামলা চলছে। সম্প্রতি তিনি কৃষক জাবের হোসেনকে প্রস্তাব দেন, ৫ লাখ টাকা দিলে তিনি আর ওই জমির মালিকানা দাবি করবেন না। 

ভুক্তভোগী জাবেদ হোসেনের অভিযোগ, ওই গ্রামে তাদের ওয়ারিশ সূত্রে ২০.৯৭ একর জমি রয়েছে। তার বাবা আবদুল মালেক মারা যাওয়ার পর থেকে মাহে আলম ও তার লোকজন ভুয়া দলিল দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে একাধিক মামলা করার পর রায় তাদের পক্ষে এসেছে। এখন মতলববাজ মাহে আলম ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। না হয় তাদের মারধর ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

বৃদ্ধ অজুবা খাতুন বলেন, আমার জমিতে দুটি ঘর রয়েছে। জমিটি অন্যায়ভাবে দখলে নিতে ওই ঘর দুটি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে মাহে আলম ও তার লোকজন। এখন তারা আমাকে গালমন্দ করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী পরিবাগুলোর সদস্য সোহাগ, আব্দুল মালেক ও আব্দুল খালেক। এ সময় ৩০-৩৫ জন গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত মাহে আলম পাটওয়ারী বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। জমির কাগজপত্র আমার কাছে আছে। 


মন্তব্য