kalerkantho


১৮ বছরে কারমাইকেল কলেজ 'বাঁধন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ মার্চ, ২০১৮ ১০:৫১



১৮ বছরে কারমাইকেল কলেজ 'বাঁধন'

একের রক্ত অন্যের জীবন রক্তই হোক আত্মার বাঁধন। ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'বাঁধন'। বর্তমানে দেশের ৪৮ জেলায় ৬৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাঁধন কাজ করছে।

১৯৯৭ সালের ২৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে শাহিদুল ইসলাম রিপন এর উদ্যোগে বাঁধন’র যাত্রা শুরু হয়। শাহ মোঃ রেজাউল করিম কে আহ্বায়ক করে ২৩ মার্চ ২০০০ ইং তারিখে আহবায়ক কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর দেশের দ্বিতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কারমাইকেল কলেজে বাঁধন’র আত্নপ্রকাশ ঘটে। ২০০০ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ০৪ তারিখে সারা ক্যাম্পাস জুড়ে ফেস্টুন লাগানো এবং ০৫ ও ১২ তারিখে ক্যাম্পাসে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রিয় পরিষদের সহায়তায় বিনামুল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। সেই থেকে শুরু। চলতি মার্চে ১৮ বছর পূর্তি হচ্ছে।

বর্তমানে কারমাইকেল কলেজে ৫০ এর অধিক সক্রিয় বাঁধন কর্মী কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও প্রায় ৪০০ জন প্রাক্তন বাঁধন কর্মী আছে, যারা পড়াশোনা শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছে। বর্তমানে বাঁধন কারমাইকেল কলেজ ইউনিটের সভাপতি'র দায়িত্ব পালন করছেন হাজ্জাজ আল তানভীর এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মরিয়ম নেছা মিমু।

১৮ বছরে বাঁধন কারমাইকেল কলেজ ইউনিটের উল্লেখযোগ্য কাজ হলো, ১ লাখ ২৮ হাজার ৯০৪ জনের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ১৮,৮০৯ জন মুমূর্ষের প্রয়োজনে বিনামূল্যে রক্ত সরবরাহ করেছে।এছাড়াও বাঁধন কারমাইকেল কলেজ রংপুর বিভাগজুড়ে সামাজিক সেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে।

২০১৪ সালে বাঁধন কেন্দ্রিয় পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান কারমাইকেল কলেজে অনুষ্ঠিত হয় এবং বাঁধন কারমাইকেল কলেজ ইউনিটের কর্মী আসাদুজ্জামান লিয়ন কেন্দ্রিয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজেগুলোর ক্ষেত্রে প্রথম।



মন্তব্য