kalerkantho


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাকৃবির ওই শিক্ষক

বাকৃবি প্রতিনিধি   

২২ মার্চ, ২০১৮ ১৭:৫৪



প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাকৃবির ওই শিক্ষক

সংবাদপত্রে প্রকাশিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শিক্ষকের নৈতিক স্খলনের অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভেটেরিনারি অনুষদের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে প্রতিবাদলিপি দেন ওই শিক্ষক।

প্রতিবাদ লিপিতে তিনি জানান, আমার মেরুদন্ডের একটি টিউমার দেখা দেয়। অপারেশন না করে টিউমারের চিকিৎসা করানো সম্ভব হবে জেনে আমি কেওয়াটখালীর এক নারী হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের শরণাপন্ন হই। গত মঙ্গলবার আমার ওষুধ নেওয়ার তারিখ থাকায় আমি তার চেম্বারে যাই। চেম্বারে গিয়ে জানতে পারি, ওই নারী ও তার ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় তিনি চেম্বারের আসেন নি। তখন ওই নারী আমার ওষুধ নেওয়ার জন্য তার বাসায় ডাকেন। আমি ওই নারীর মামার সাথে তার বাসায় যাই। এক সময় তার মামার ফোন এলে তিনি বাইরে চলে যান। এমন সময় একজন নেশাগ্রস্থ লোক বাড়ির বাইরের গেট খোলা দেখে তালা দিয়ে দেন। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে ফোন করলে তারা এসে আমাকে নিয়ে যান। পরে সংবাদপত্রে তার নামে প্রকাশিত হলে দুই পরিবারই হতবাক হন এবং সংবাদের প্রতিবাদ জানান। সংবাদপত্রে নাম প্রকাশের আগে তাকে ফোন না দেওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

কিন্তু সংবাদপত্রের প্রতিনিধিরা বলেছেন, আমরা তাকে বেশ কয়েকটি নাম্বার থেকে ফোন দিয়েছিলাম। বারবার ফোন দিয়েও না পাওয়ায় তার বক্তব্য নিতে পারি নি। 

তারা জানান, প্রায় শতাধিক এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন যা দেখেছেন তাই বলেছেন। অপবাদ ঢাকতেই তিনি এমন প্রতিবাদ লিপির আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি প্রায়শই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন বলেও জানান এলাকাবাসী। চিকিৎসার নামে মিথ্যে নাটকের বিষয় উল্লেখ করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রক্টর কাযালয়সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতাই মত দিয়েছেন। এ ছাড়াও বেশ কয়েক বছর আগে তার অনুষদেই এক নারী সহাকারীর সাথেও নৈতিক স্খলনের কাজ করেছেন। বিভাগে নারী শিক্ষক নেওয়াতেও তিনি সুপারিশ করে থাকেন বলে জানান তার ছাত্ররা।


মন্তব্য