kalerkantho


বই পড়ে পুরস্কার পাওয়ার আনন্দঘন উৎসব

বরিশাল অফিস    

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৬:৫৭



বই পড়ে পুরস্কার পাওয়ার আনন্দঘন উৎসব

বরিশাল নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। বিশাল স্কুল ক্যাম্পাস বর্ণিল সাজে সজ্জিত। মাঠের পুরোটাই শহরের ৩৩টি স্কুলে অধ্যয়নরত এক হাজার ৮১২ শিক্ষার্থীর দখলে। শিক্ষার্থীদের পরনে ছিল নিজ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত পোশাক। হাতে রঙিন কার্ড।

একটু পরপর থেমে থেমে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠের উল্লাসধ্বনি শোনা যাচ্ছিল। নাম ঘোষণা হতেই মঞ্চে গিয়ে শিক্ষার্থীরা গুণীজনের হাত থেকে নিচ্ছিল পুরস্কার। এ সময় অবিরাম করতালিতে পরিবেশ মুখর করে তুলতে ব্যস্ত ছিল অন্যরা। আজ শুক্রবার সকালে বই পড়ে বই পুরস্কার পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে এসব শিক্ষার্থী।

ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, বরিশালের মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩৩টি স্কুলের এক হাজার ৮১২ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দিয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও গ্রামীণফোন। তাদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে অনুষ্ঠানস্থলে সৃষ্টি হয় উৎসবের পরিবেশ। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের উদ্যোগে সকালে শুরু হয় বই পড়া কর্মসূচির পুরস্কার বিতরণের এ উৎসব। বই পড় কর্মসূচিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের এই মিলনমেলায় এসেছিলেন তাদের অভিভাবক, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুণী ব্যক্তিরা শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার হিসেবে বই তুলে দেন।

উৎসবে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের শুভানুধ্যায়ী অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বেগম সাইদুননেছা লাইলা, বরিশাল জেলার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট অভিনেতা, লেখক ও অনুবাদক খায়রুল আলম সবুজ, দুই বার এভারেস্ট বিজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি এম এ মুহিত, ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেরী সূর্য্যানী সমদ্দার, গ্রামীণফোনের দ্বীপেশ কুমার দাশ এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক ও উপ-সচিব শরিফ মো. মাসুদ।

আবুল কালাম আজাদ পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বই পড়ার মাধ্যমে যে জ্ঞানের আহরণ হয়, তার মাধ্যমে একজন মানুষ সারা পৃথিবীকে আলোকিত করতে পারে। তোমরা সেই আলোর পথের অভিযাত্রী। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের শুভানুধ্যায়ী অধ্যাপক বেগম সাইদুননেছা লাইলা পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'আমাদের বহমান জীবন ব্যবস্থাকে একটি সফল হাতিয়ার দিয়ে আরো সুন্দর ও সার্থক করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। সেই হাতিয়ারের নাম বই। সেই বই পড়ে, তোমরা যারা আজ পুরস্কার পেয়েছো, তোমাদের সকলকে অভিনন্দন।' 


মন্তব্য