kalerkantho


শেকৃবি ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন বহিস্কার

শেকৃবি প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:৩৮



শেকৃবি ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন বহিস্কার

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক (মিঠু-মিজান) গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট উভয় গ্রুপের দুইজনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করেছে শেকৃবি প্রশাসন। আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার দপ্তর এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। 

রেজিস্টার শেখ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত নোটিশের মাধ্যমে জানানো হয়, সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মো. রাজীব আহমেদ (রেজিঃ নং-১২-০৪৮৭১) এবং কীটতত্ত্ব বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মো. মুহিত মোরশেদ (রেজিঃ নং-১২-০৪৭৬৩) এর সংশ্লিষ্টতা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করা হয়েছে এবং কেন তাদেরকে চূড়ান্তভাবে বহিস্কার করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য সাত কার্যদিবস সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, রাজীব আহমেদ শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের বিগত কমিটির (নাজমুল-দেবাশীষ) শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের সমর্থক। মুহিত কোনো পদে না থাকলেও সভাপতি মিঠুর সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

এ বিষয়ে শেকৃবির প্রক্টর ড. ফরহাদ হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রাথমিকভাবে সংঘর্ষে রাজীব ও মুহিতের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হওয়ায় সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। আরও ১৫ জনকে বহিষ্কার করা হতে পারে।  

উল্লেখ্য, গত ১১ ফেব্রুয়ারি ক্যান্টিন বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে সভাপতি এস এম মাসুদুর রহমান মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলের প্রভোস্ট ড. হাসানুজ্জামান আকন্দ সহ প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। শেরেবাংলা হল এবং কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ২০টি কক্ষ ও চারটি ল্যাপটপ ভাঙ্গচুর করা হয়।


মন্তব্য