kalerkantho


শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ঘোষণা, তবুও বিদ্যুৎ পৌঁছেনি মাটুয়া গ্রামে

হাওরাঞ্চল (নেত্রকোনা-সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৪:৫৩



শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ঘোষণা, তবুও বিদ্যুৎ পৌঁছেনি মাটুয়া গ্রামে

শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হিসেবে ঘোষণার পর ৪০ দিন পেরিয়ে গেছে, বিদ্যুৎ পায়নি মাটুয়ার অধিবাসীরা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেত্রকোনার মদনকে শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করার ৪০ দিন পেরিয়ে গেলেও এ উপজেলা মাটুয়া গ্রামে আজো বিদ্যুৎ পৌঁছেনি। ফলে উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের ছোট এ গ্রামের প্রায় ১৬টি পরিবার বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

আরো পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে প্রশিক্ষণের নামে প্রতারণার অভিযোগ

জানা গেছে, উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত মাটুয়া নামে এ গ্রামটিতে এক সময় প্রায় শতাধিক পরিবারের বসবাস থাকলেও চোর ডাকাতের উপদ্রবের কারণে অনেক পরিবারই এ গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। বর্তমানে ১৬টি পরিবার ওই গ্রামে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু গত বছরের ১০ ডিসেম্বর  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মদনকে শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ঘোষণা করার ৪০ দিন পেরিয়ে গেলেও উপজেলার ১৬ পরিবারের এ মাটুয়া গ্রামটিকে পল্লী বিদ্যুতের আওতায় থেকে বঞ্চিত করে রেখেছেন পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

মাটুয়া গ্রামের বাসিন্দা জালার উদ্দিন, ফখরুদ্দি, হাদিছ মিয়া ও কল্পনা আক্তারসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ গ্রামকে পল্লী বিদ্যুতের আওতায় আনার জন্য গত ২-৩ মাস ধরে মদন ও নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ে ধর্না দিয়ে আসছেন। এমনকি তাদেরকে বিদ্যুৎ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিদ্যুতের এক কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকাও নিয়েছেন। কিন্তু কি কারণে কর্তৃপক্ষ তাদের ওই গ্রামকে বিদ্যুতায়নের আওতা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছেন তা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। আর এ জন্য তারা বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন। 

উপজেলার তিয়শ্রী ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফখর উদ্দিন আহমেদ বলেন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রত্যন্ত এই মাটুয়া গ্রামের লোকজন যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ পায় সে ব্যাপারে আমি ইউএনও স্যারের সাথে আলোচনা করে গ্রামবাসীর কাছ থেকে কাগজপত্র সংগ্রহ করে তা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিয়েছি। তবে ওই গ্রামে শিগগিরই বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে বলে আমি আশাবাদি। 

আরো পড়ুন: সাভারে বাস চাপায় রিকশা চালক নিহত

মদন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. মাহাবুব আলী জানান, এ উপজেলার শতভাগ ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাতে একটু সময় লাগবে। মাটুয়া গ্রামেও বিদ্যুৎ পৌঁছবে। তবে কাগজপত্র পৌঁছলেই এর কার্যক্রম শুরু করা হবে।  



মন্তব্য