kalerkantho


৮ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ২০:২৫



সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ছবি : কালের কণ্ঠ

নিরপত্তাহীনতায় আর শ্লীলতাহানির বিচারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাশ বর্জন করে মানববন্ধন করেছে। আজ সোমবার সকাল ১২টা পর্যন্ত ক্লাশ বর্জন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে কলেজের শিক্ষার্থীরা। বার বার প্রশাসনের কাছে বিচার প্রার্থনা করেও কোন সমাধ না হওয়ায় বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা। এর আগে গতকাল রবিবার সকালে দাবি আদায়ের জন্য ক্লাশ বর্জন করে মানববন্ধন কর্মসূচির সাথে একাত্ততা ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ ও বিএমএ।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, গত ১লা জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেনালের হাসপাতালের এমএলএসএস আনোয়ার হোসেন আমাদের ৪র্থ বর্ষের ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ঘটনায়। এ ঘটনায় আজও কলেজ কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেনি। এছাড়া ছাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ৮ দফা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের এ আন্দোলন চালিয়ে যাবো। বক্তারা আরও জানায় সিড়ি, লিফট, অন্ধকার রাস্তা, নিজেদের ক্যাম্পাস এমনকি ছাত্রী হোস্টেলসহ কোনখানেই তাদের নিরাপত্তা নেই। তাই অবিলম্বে নিরাপত্তা চিশ্চিত করার আহবান জানান তারা।  

এদিকে চলামান এ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক জানান, সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি এমন অন্যায়ের তীব্র পতিবাদ জানাই আমরা। শিক্ষার্থীদের ৮ দফা দাবি আদায়ে আমরা তাদের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। অন্যদিকে বিএমএ. এর সভাপতি ডা: জহুরুল হক রাজা এ ঘটনার জন্য দোষী ব্যাক্তিদের দ্রুত আইনের আওয়াতায় এনে শাস্তির দাবী জানান।   

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের কলেজ কর্তৃপক্ষ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও বহিরাগতদের দ্বারা নানা সময় হয়রানির শিকার হয়ে আসছিল। আর গত ১লা জানুয়ারী সিরাজগঞ্জ জেনালের হাসপাতালের এমএলএসএস আনোয়ার হোসেন ৪ বর্ষের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ঘটয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে বদলি করা হলেও কার্যকরি কোন ব্যাবস্থা না নেওয়ায় ছাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রধান করে ৮ দফা দাবি দেন শিক্ষার্থীরা। বরিবার থেকে চলা এ আন্দোলন দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলবেও বলে জানান শিক্ষার্থীরা। 



মন্তব্য