kalerkantho


ইবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির তদন্ত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৮:৩০



ইবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির তদন্ত

ছবি : কালের কণ্ঠ

চেক জালিয়াতির অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ সোমবার বিকালে বিশ্বদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ এ তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় রুহুল আমিনের চেক জালিয়াতির অভিযোগ ও তার করা আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তাদেরকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’ 

রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, তদন্ত কিমিটিতে গনিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামালকে আহবায়ক করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুস শহীদ মিয়া এবং ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসনে আজাদ।    

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিস বিভাগের সাবেক এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে ১৫ লাখ টাকা নেয় রুহুল আমিন। কিন্তু চাকরি দিতে ব্যর্থ হন ওই শিক্ষক। বিষয়টি জানাজানি হলে গত বছরের ১২ অক্টোবর অগ্রণী ব্যাংক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় (হিসাব নং ১০৭১৫) ১৫ লাখ টাকার একটি চেক দেন রুহুল আমিন। ৩১ অক্টোবর ব্যাংকে ওই চেক নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ওই অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ নেই বলে জানায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আরো জানায় যে চেকটি ডিজঅনার হয়েছে। 

ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, রুহুল আমিন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি থাকাকালীন ২০১৩ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রাণী ব্যাংক শাখায় ১০৭১৫ নং হিসাব খোলে। এই অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বশেষ ২০১৫ সালে ২০ হাজার টাকা উত্তলোন এবং ৩৫ হাজার টাকা জমা হয়। 

উল্লেখ্য, চাকরির আশ্বাস দিয়ে ১৫ লক্ষ টাকার ডিসঅনার চেক দিয়ে প্রতারণা করায় কুষ্টিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছে চাকরি প্রত্যাশী শরিফুল ইসলাম। এতে গত ২ জানুয়ারি সি,আর মামলায় রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে সমন জারি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

এর আগেও এই রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে বিভাগের অর্থ অনিয়মের তদন্ত করেন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য, বিভাগের কম্পিউটার গায়েব, বিভাগের অর্থ অনিয়মসহ নানা অভিযোগ আছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিত্বে একটি অভিজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে আমারা কাজ করবো। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। 

 

 



মন্তব্য