kalerkantho


ঝালকাঠিতে শিল্পমন্ত্রী

জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করেছিলেন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি    

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ২২:৫৭



জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করেছিলেন

ছবি : কালের কণ্ঠ

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, জিয়াউর রহমান সামরিক শাসনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে দীর্ঘদিন টিকে থাকার জন্য এ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ছাত্র রাজনীতি কলুষিত করেছিলেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার স্থল ছিল ছাত্র রাজনীতি। কিন্তু অস্ত্র, চাদাঁবাজী ও খুনা-খুনির কারনে জিয়ার আমল থেকেই সাধারণ মানুষ ছাত্র রাজনীতির ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ছাত্রলীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঝালকাঠি শহরের শিশুপার্ক উম্মুক্ত মঞ্চে জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগকে ছাত্র রাজনীতির হারানো গৌরব ও ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করতে হবে। আর এ জন্য ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে পড়াশোনা করে মেধাবী হতে হবে। নেতার পেছনে ঘুরঘুর করে স্লোগান দিলেই রাজনীতিবীদ হওয়া যায় না। নেতৃত্ব দিতে হলে মেধাবী হতে হবে, শৃঙ্খলা বজায় রাখা শিখতে হবে।

শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, ছাত্র রাজনীতি এবং ছাত্রলীগ করেছিলেন বলেই শেখ মুজিব থেকে শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু উপাধি পেয়েছিলেন। ১৯৫২ সালে বাংলাভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী নিয়ে জিন্নাহর বক্তব্যের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন। 

বাংলাদেশ এখন প্রযুক্তিতেও এগিয়ে যাচ্ছে দাবি করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রকল্প সফল করতে হলে ছাত্রলীগকে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াতে হবে। সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাড়িয়ে ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগ সর্ম্পকে মানুষের যে ভীতি রয়েছে তার দুর করতে হবে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল, পৌর মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার।  

 



মন্তব্য