kalerkantho


লাখ লাখ শ্রমিকের খাবার জোটে বিড়ি শিল্পে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৯:২৪



লাখ লাখ শ্রমিকের খাবার জোটে বিড়ি শিল্পে

বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমকে বাঙ্গালী বলেছেন, বিড়ি শিল্পের মাধ্যমে দেশের লাখ লাখ শ্রমিকের খাবার জোটে। সেইসঙ্গে দেশের টাকা দেশেই থেকে যায়। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার সাতমাথা মোড়ে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন ও শ্রমিক কর্মচারী বগুড়া অঞ্চল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন।

এমকে বাঙ্গালী বলেন, দেশি তামাক, দেশি কাগজ ও দেশি শ্রমিকের মাধ্যমে এই বিড়ি তৈরি। অন্যদিকে সিগারেটের সবকিছু বিদেশ থেকে আনতে হয়। সিগারেটের তামাক, ক্যামিকেল, কাগজ, টেকনিক্যাল পারসন- সবই বিদেশ থেকে আসে। দেশের টাকা বিদেশে চলে যায়। ৬০-৭০ হাজার কোটি টাকার বেশি সিগারেটের মাধ্যমে বিদেশে চলে যাচ্ছে। বিড়িতে ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা মাত্র বাৎসরিক আয়। কিন্তু এতে দেশের লাখ লাখ শ্রমিকের খাবার জোটে। সেইসঙ্গে দেশের টাকা দেশেই থেকে যায়।
তিনি বলেন, বিগত ৫০ বছর ধরে বিড়ি শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য পায়তারা চলছে। বর্তমানে বিড়ি শিল্প প্রায় ধ্বংসের মুখে। অর্থমন্ত্রী ধূমপানকে ধ্বংস করার নামে বিড়িকে ধ্বংস করার পায়তারা করছেন। একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। কিন্তু সেটা নিয়ে সরকার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ঐ বিদেশি প্রতিষ্ঠান দেশের শিল্পকে ধ্বংস করে বাংলাদেশকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করছে।
সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, দেশে সিগারেটের সঙ্গে যুক্ত ১০ হাজার শ্রমিক। কিন্তু বিড়ির সঙ্গে যুক্ত ২০ লাখ শ্রমিক। এ শ্রমিকদের ৭০ ভাগই নারী। এসব নারী নিরাপত্তার সঙ্গে বিড়ি তৈরির কাজ করছেন। কাজেই বিড়ি বন্ধ করলে ২০ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে যাবেন এবং নিঃস্ব হয়ে যাবে তাদের পরিবার। তাই আগে ২০ লাখ বিড়ি শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তারপর বিড়ি বন্ধ করার চিন্তা করুন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হারিক হোসেন, বিড়িশিল্প মালিক আনোয়ার হোসেন রানা, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।


মন্তব্য