kalerkantho


বর্ণাঢ্য আয়োজনে সৈয়দপুরে বই উৎসব পালিত

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ২৩:৩৪



বর্ণাঢ্য আয়োজনে সৈয়দপুরে বই উৎসব পালিত

ছবি: কালের কণ্ঠ

আজ ১ জানুয়ারি নতুন বছর ২০১৮-এর শুরুতেই সারাদেশের মতো শিক্ষানগরী হিসেবে খ্যাত নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায়ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে বই উৎসব। উপজেলার সকল মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক, প্রাথমিক ও কিন্ডার গার্টেন স্কুলের পৃথক পৃথকভাবে বই উৎসবের আয়োজনের মধ্যদিয়ে বিনামূল্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়।

সকালে সৈয়দপুর শহরের কয়ানিজপাড়াস্থ সানফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে বই উৎসবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এতে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোখছেদুল মোমিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন উড়িয়ে বই উত্সবের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সৈয়দপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আমিনুল হক। সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোখলেছুর রহমান জুয়েল।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আলহাজ মো. আব্দুল বাসির মিয়া, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল লতিফ, কিন্ডার গার্টেন শাখার প্রধান মো. জাবেদ আলী শেখ টিটু প্রমুখ। এ সময় কলেজের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোখছেদুল মোমিন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন।

এদিকে, সৈয়দপুর শহরের পুরতান বাবুপাড়াস্থ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে আয়োজিত বই উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. বজলুর রশীদ। সভাপতিত্ব করেন স্কুলের অধ্যক্ষ মো. শাবাহাত আলী সাব্বু। বই উৎসবে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দে মেতে উঠে। অনেক শিক্ষার্থী নতুন বই হাতে পেয়েই বিদ্যালয় চত্বরে কিংবা ক্লাসে সে সব খুলে পড়তে শুরু করেন। বিদ্যালয়গুলোতে বই উৎসবে যোগ দিতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের বাবা-মায়েরাও এসেছিলেন। এতে করে বই উৎসবে ভিন্নমাত্রা যোগ হয় অভিভাবকদের সরব উপস্থিতির কারণে।

নতুন বই নিয়ে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিল সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সাবা তাবাচ্ছুম ত্রপা। সে জানায়, আজ নববর্ষ। আমি নতুন ক্লাসে উঠেছি। আর নতুন ক্লাসে উঠে আজ নতুন নতুন বই হাতে পেলাম। এতে খুব খুশি লাগছে। এসব নতুন বই পড়ে আগামী ভালো ফলাফল ও ভালো মানুষ হয়ে বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর আশাবাদ ব্যক্ত করে সে।



মন্তব্য