kalerkantho


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    

২২ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:৪০



ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৯ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ জেলার মধ্যবর্তী স্থান শান্তিডাঙ্গা-দুলালপুরে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভা।

সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় সংগীত বাজিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান। এরপর সকাল ১০টার দিকে প্রশাসন ভবন চত্বরে শান্তি ও আনন্দের প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, চিকিৎসা কেন্দ্র ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সামনে দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

এ সময় নিজ-নিজ ব্যানার, ক্যাপ, প্লাকার্ড ও ফেস্টুনসহ আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, হল, অফিসের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী।

এদিকে, চিঠি দিয়ে নিমন্ত্রণ না জানানোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আংশ নেননি শাখা ছাত্রলীগের নেতারা। আনন্দ শোভাযাত্রায় যাননি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

আলোচনা সভায়ও ছিলেন না তারা।

আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরমিন খাতুনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ৩৯তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রুহুল এম কে সালেহ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড.  হারুন-উর-রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসাকরী বলেন, "গুহাবাস থেকে চন্দ্রগমন-  মানবজাতির এই দীর্ঘ অভিযাত্রায় সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ। ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে চাই। এ ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থানে কিছু যায় আসে না। এখন ভার্চুয়াল যুগ। অনেক স্বপ্ন নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবার। " 


মন্তব্য