kalerkantho


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতিসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ নভেম্বর, ২০১৭ ১৩:৩৫



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতিসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলার পৃথক স্থানে ডাকাতিসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ৫ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন, লক্কু মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন, আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম, সোলেমান মিয়ার ছেলে আবু তালেব ওরফে সুমন ও আব্দুর রহমান মিয়ার ছেলে আব্দুল হক।

পাঁচজনকেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুন : নাসিম হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

এ বিষয়ে সরাইল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. মনিরুজ্জামান ফকির জানান, গত শনিবার দিবাগত রাত থেকে আজ বুধবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ বুধবার সকালে আশুগঞ্জ থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, ১৩ নভেম্বর দিবাগত রাতে আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর-তালশহর আঞ্চলিক সড়কে ডাকাতরা একটি পিকআপ ভ্যানে ডাকাতি করে। এ সময় তারা পিকআপ ভ্যানে থাকা ৭০ পিস দরজার কাঠ লুট করে গাড়িতে থাকা হবিগঞ্জ সদরের দেওয়ান এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক কামাল আহমেদকে হত্যা করে। এ ঘটনার ৫ দিন পর ১৮ নভেম্বর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় একদল ডাকাত মাছ বোঝাই ট্রাক লুট করে নিয়ে যায়। সে সময় মাছ ব্যবসায়ী রফিক মিয়াকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা এবং ট্রাক চালক ও চালকের সহযোগীকে পিটিয়ে আহত করে।

আরো পড়ুন : কাকরাইলে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

এএসপি মনিরুজ্জামান জানান, এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া গ্রাম থেকে আবু তালেব সুমনকে প্রথমে গ্রেপ্তার করে।

পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো চারজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ আশুগঞ্জ থেকে লুট হওয়া ৭০ পিস দরজার কাঠ ও সরাইল থেকে লুট হওয়া মাছ বিক্রির এক লাখ ৪৬৯৫ টাকা উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, দুটি পৃথক ঘটনায় আরো যারা জড়িত রয়েছে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


মন্তব্য