kalerkantho


ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে রোটেশন প্রথা বাতিলের দাবি

ভোলা প্রতিনিধি   

১৯ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:৩৪



ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে রোটেশন প্রথা বাতিলের দাবি

ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে চলাচলকারী সাত যাত্রীবাহী লঞ্চের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে রোটেশন প্রথা বাতিলের দাবিতে আজ রবিবার দুপুরে লঞ্চযাত্রী ও বিশিষ্ট ঠিকাদার রুহুল আমিন কুট্টি বাদী হয়ে ভোলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদিগণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত সহকারী কৌসুলী (এপিপি) এডভোকেট কিরণ তালুকদার জানান, ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চের রোটেশন প্রথা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। তারা দীর্ঘদিন ধরে রোটেশন প্রথা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসলেও কোন আমলে নেননি প্রভাবশালী লঞ্চ মালিকরা। সরকারের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে রোটেশনের মাধ্যমে ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে লঞ্চ চালাচ্ছেন প্রভাবশালী লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।  

বাধ্য হয়ে যাত্রীদের পক্ষে লঞ্চযাত্রী ও বিশিষ্ট ঠিকাদার রুহুল আমিন কুট্টি বাদী হয়ে জাস্টিজ অব দ্যা পিচ ফেজদারী কার্যবিধির ২৫ ধারায় ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে চলাচলকারী সাত যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্নফুলী-৯, কর্নফুলী-১০, কর্নফুলী-১১, গ্লোরী অব শ্রীনগর, এমভি বালিয়া, এমভি ভোলা ও ক্রিস্টাল ক্রুজের মালিকের বিরুদ্ধে ভোলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আখতারুজ্জামান মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীগণের বিরুদ্ধে আদালতে তলব করে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারির আদেশ দেন।

মামলায় বাদী আরো জানান, ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটে প্রতিদিন ৪টি করে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করার নিয়ম থাকলেও প্রভাবশালী লঞ্চ কর্তৃপক্ষ সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে প্রতিদিন ২টি করে যাত্রীবাহী লঞ্চ চালাচ্ছে। এ ছাড়া লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে। এবং যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকাও আদায় করে থাকে।

এমনকি সাধারণ যাত্রীরা কেবিনের বুকিং দিলেও লঞ্চ কর্তৃপক্ষ অনেক সময়ে সেই কেবিন অন্যজনকে দিয়ে দেন বলেও বাদী জানান।   

অতিরিক্ত সহকারী কৌসুলী (এপিপি) সোয়েব হোসেন মামুনসহ প্রায় ৭ আইনজীবী বাদীর পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং মামলা পরিচালনা করেন।


মন্তব্য