kalerkantho


হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে যুবলীগ নেতাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা (দক্ষিণ) প্রতিনিধি    

১৭ অক্টোবর, ২০১৭ ১৫:৩২



নাঙ্গলকোটে যুবলীগ নেতাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আবদুর রহমান খোকন নামে এক আওয়ামী লীগকর্মী ও তার পরিবারের ছয় সদস্যকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

গতকাল সোমবার রাতে কুমিল্লার আদালতের নির্দেশে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ মামলাটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করে।

মামলার প্রধান আসামি আবু সুফিয়ান জুলিয়াস উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।

মামলা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধসহ নানা ঘটনার জের ধরে গত ৬ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে উপজেলার ছোট তুবুরিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগকর্মী আবদুর রহমান ওরফে খোকনের বাড়িতে ৭-৮ জনের একদল সন্ত্রাসী হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা প্রথমে খোকনের বসতঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। এরপর খোকন, তার স্ত্রী ফরিদা বেগম, ছেলে ইব্রাহিম খলিল, সৌরভ হোসেন, মেয়ে রায়হান আক্তার ও বিজলী বেগমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে তারা রড দিয়ে পিটিয়ে আবদুর রহমান খোকনের বাম পা ভেঙে ফেলে। স্থানীয়রা তাদেরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় সেখানে  কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এদিকে, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগকর্মী আবদুর রহমান খোকনের ছেলে ইব্রাহিম খলিল কুমিল্লার আদালতে উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান জুলিয়াসসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সর্বশেষ গতকাল সোমবার রাতে আদালতের নির্দেশে মামলাটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ।

মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিল বলেন, যুবলীগ নেতা জুলিয়াসের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাবলু, কামাল, ইমাম হোসেন চৌধুরী, আবদুল মালেক, হারিছ মিয়া ও আলাউদ্দিন আমাদের পরিবারের ওপর এ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। আর এখন ওই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করায় তারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

তবে এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা আবু সুফিয়ান জুলিয়াস বলেন, আমি এবং আমার কর্মীরা এ ঘটনায় কোনোভাবেই জড়িত নই। মামলার আসামিদের মধ্যে ইমাম হোসেন চৌধুরী, আবদুল মালেক ও হারিছ মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ছাড়া আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা মোটেও সত্য নয়।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি মোহাম্মদ আইয়ুব কালের কণ্ঠকে বলেন, আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


মন্তব্য