kalerkantho


ছয়জনকে জেল হাজতে প্রেরণ

নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের কারাদণ্ড

নড়াইল প্রতিনিধি    

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৮:৫৩



নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের কারাদণ্ড

দুর্নীতির মামলায় নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড.সোহরাব হোসেন বিশ্বাস ও সদর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাসসহ আটজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাদেরকে মোট এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে যশোর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বর্তমান নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন বিশ্বাস (সাবেক পৌর চেয়ারম্যান), নড়াইল পৌরসভার বর্তমান মেয়র মো. জাহাঙ্গীর বিশ্বাস (সাবেক কাউন্সিলর), বর্তমান কাউন্সিলর শরফুল আলম লিটু, সাবেক পৌর কাউন্সিলর সৈয়দ মুশফিকরু রহমান বাচ্চু, মো. আহম্মেদ আলী খান, মো.  রফিকুল ইসলাম, মো. তেলায়েত হোসেন, সাবেক অফিস সহকারী মতিউর রহমান (বর্তমানে মৃত)।

আজ মঙ্গলবার ছয়জন আসামি আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের সাজা ঘোষণা করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার অন্যতম আসামি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস আদালতে হাজির হননি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোরের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, "নড়াইল পৌরসভার রূপগঞ্জ পশুরহাটের ইজারা মূল্য এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৫ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট নড়াইল থানায় মামলা হয়। বিশেষ জজ আদালত দণ্ডবিধি ৪০৯, ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের ২ নম্বর দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এ শাস্তি দেন। দণ্ডবিধি ৪০৯ ধারায় প্রত্যেকে তিন বছর এবং ৫(২) ধারায় চার বছর করে শাস্তি প্রদান করে এবং প্রত্যেকে এক লাখ ৯৬ হাজার টাকার জরিমানা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালে হাট বাজার ইজারা নীতিমালার শর্ত ভঙ্গ করে বাংলা ১৪১১, ১৪১২ ও ১৪১৩- এই তিন সনের নড়াইল পৌরসভার পশুরহাটের ইজারা বাতিল করে এক লাখ  ৯৫ হাজার ৩৫৫ টাকা খাস আদায় করে অবৈধভাবে ৩৩ হাজার টাকা ফেরৎ দেওয়ায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে মর্মে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোরের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াজেদ আলী গাজী বাদী হয়ে নড়াইল পৌরসভার সাতজন জনপ্রতিনিধি ও একজন কর্মচারীসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে নড়াইল থানায় মামলা করেন।

 


মন্তব্য