kalerkantho


ফরিদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আট চাল ব্যবসায়ীর জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২০:২২



ফরিদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আট চাল ব্যবসায়ীর জরিমানা

প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল ও কামরুন নাহার।

র‍্যাব-৮, ফরিদপুর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহিস উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে শহরের গোয়ালচামট এলাকার খোদাবক্স রোডে নবীণ চন্দ্র সাহার গুদাম থেকে ৪০ মেট্রিক টন, একই এলাকার শিবুনাথ সাহার গুদাম থেকে ৬০ মে.টন ও শোভারামপুর এলাকার কীর্তন সাহার গুদামে থেকে ১০ মে.টন চাল এবং চকবাজার এলাকার আনিসুজ্জামানের দোকানে অতিরিক্ত ১০ টন চাল পাওয়া যায়।

পরে ফরিদপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীলের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত লাইসেন্স না থাকা ও অতিরিক্ত মজুত রাখার দায়ে শিবুনাথকে ৩০ হাজার, নবীণ সেনকে ২০ হাজার, কীর্ত্তনকে ১০ হাজার টাকা এবং চক বাজারের আনিসুজ্জামানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে। এ সময় গুদামজাত চাল দ্রুত বাজারে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের।

নির্বাহী সজল চন্দ্র শীল বলেন, ওই ব্যবসায়ীদেও কারোরই লাইসেন্স নেই। লাইসেন্স না থাকলে কোন ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী এক টনের বেশি চাল মজুদ রাখতে পারেন না। কিন্তু ওই ব্যসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০৭ মে.টন চাল বেশি পাওয়ায় ১৯৫৬ সালের অত্যাবশকীয় খাদ্য পণ্য আইনে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া গুদামজাত চাল দ্রুত বাজারে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।  

পরে ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর বাজারে চার ব্যবসায়ীকে অতিরিক্ত চাল মজুত রাখার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুননাহার।

ওই চার ব্যবসায়ী হলেন স্বপন সিকদার, সুজন পোদ্দার, নন্দ পোদ্দার এবং কৃষ্ণ কুমার সাহা।
 

 


মন্তব্য