kalerkantho


গোপালগঞ্জে ওএমএস'র আতপ চালে ক্রেতাদের আগ্রহ কম

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি    

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৮:২৪



গোপালগঞ্জে ওএমএস'র আতপ চালে ক্রেতাদের আগ্রহ কম

হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে খোলা বাজারে চাল বিক্রি। তবে এসব এলাকার মানুষ আতপ চাল খাওয়ায় অভ্যস্থ না হওয়ায় চাল কিনতে তেমন আগ্রহী নয় ক্রেতারা।

ফলে খোলা বাজারে চাল বিক্রিতে তেমন একটা সাড়া নেই বললে চলে। আতপ চালের পরিবর্তে সিদ্ধ চাল দেওয়ার দাবি জানিয়েছে এখানকার ক্রেতারা।

জেলা খাদ্য অফিস জানিয়েছে, জেলা সদরে পাঁচজন ডিলার প্রতিদিন এক মেট্রিকটন করে প্রতিদিন পাঁচ টন চাল বিতরণ করে আসছেন গত দুই দিন ধরে। উপজেলা সদরে তিনজন করে মোট ১৫ জন ডিলার আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রতি ডিলার এক মেট্রিকটন করে ১৫ মেট্রিকটন চাল বিক্রি করবেন। প্রত্যেক ক্রেতা দৈনিক ৩০ টাকা দরে পাঁচ কেজি করে চাল কিনতে পারছেন।

কম দামে সরকারি চাল কিনতে আসা সুফিয়া বেগম জানান, তারা আতপ চাল দিয়ে শুধুমাত্র পিঠা তৈরি করে থাকেন। খাবার চাল হিসেবে তারা সিদ্ধ চালই খেয়ে থাকেন। তিনি শেষমেষ চাল না কিনেই চলে যান। ওএমএস'র চাল কিনেছেন রফিক মিয়া।

তিনি জানান, সরকার কম দামে চাল দিচ্ছে তারা খুশি তবে আতপ চালের পরিবর্তে সিদ্ধ চাল দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

ডিলার শাহাজান মোল্লা জানান, এ অঞ্চলের মানুষ আতপ চাল খেতে অভ্যস্থ নয়। তারা সবসময় সিদ্ধ চালই খেয়ে থাকেন। এ কারণে ক্রেতারা আতপ চাল কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

ডিলারদের কাছে ক্রেতারা ভিড় করলেও সিদ্ধ চালের পরিবর্তে আতপ চাল দেওয়ায় অনেকেই চাল না নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ফলে চাল বিক্রি হচ্ছে কম। আতপ চাল খেতে না পারায় আতপ চালের পরিবর্তে সিদ্ধ চাল দেওয়ার দাবি ক্রেতাদের।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. খলিলুর রহমান বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, "আস্তে আস্তে মানুষ এতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। " তিনি আতপ চাল রান্নার কৌশল পাল্টে কোনও কোনও ক্রেতা প্রতিনিয়ত এই আতপ চাল ওএমএস ডিলারের কাছ থেকে কিনছেন বলে জানান।


মন্তব্য