kalerkantho


ওএমএস দোকানগুলোতে ভিড়

শেরপুরে কমতে শুরু করেছে চালের দাম

শেরপুর প্রতিনিধি    

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৬:০৬



শেরপুরে কমতে শুরু করেছে চালের দাম

শেরপুর খাদ্য অধিদপ্তরের খোলা বাজারে চাল বিক্রির ওএমএস দোকানগুলোতে চাল কিনতে আসা মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ৩০ টাকা কেজি দরের ওএমএস চালুর ফলে স্থানীয় বাজারে চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

আজ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন ও জেলা খ্যাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মাহবুবুর রহমান শহরের বিভিন্ন ওএমএস দোকান পরিদর্শন করেন।

শহরের নবীনগর, চাপাতলি, পুরাতন গরুহাটি ও বাগরাকসা এলাকার চারটি ওএমএস দোকান পরিদর্শন করে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানেই মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে চাল কিনছেন। ৩০ টাকা কেজি দরে প্রত্যেকে পাঁচ কেজি করে চাল কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। এবার ওএমএসে আতপ চাল দেওয়া হলেও শেরপুরে সাধারণ মানুষের এ নিয়ে তেমন কোনও অভিযোগ নেই। শহরের নয়ানী বাজারের চালের আড়তগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিআর ২৮ ও বিআর ২৯ প্রতিমণ চালের বস্তায় (৫০ কেজির বস্তা) গত তিন দিন আগের তুলনায় দাম ২০০ থেকে আড়াই শ টাকা করে কমেছে।

শহরের নবীনগর এলাকায় হাকিম ট্রেডার্সের ওএমএস দোকানে চাল নিতে আসা ফাতেমা বেগম (৪৬) নামের এক নারী বলেন, "দুই দিন আগে পাঁচ কেজি চাল নিয়েছিলাম। আজ আবার লাইনে দাঁড়াইছি। এটা আতপ চাল হলেও খেতে ভালো। রান্নার সময় পানি একটু কম দিতে হয় আর চুলায় আস্তে আস্তে তাপ দিতে হয়।

তাতে ভাত ঝরঝরা হয়। " আবেদ আলী (৬৭) নামের একজন বলেন, "এমনেতো আর পোলাও চাল আমরা কিনে খেতে পারি না, দাম বেশি। ইবার সরকার যহন দিছে, কিন্না চাইল বিরান খামু, পিডা বানামু। হুনছি ভাত একটু মেন্দা (নরম) হয়। কিন্তু খাওয়ন যাবো। " 

জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন বলেন, "শহরের পাঁচটি ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে প্রতিদিন এক টন করে মাসে ১২০ মেট্রিকটন এবং পাঁচ উপজেলায় ৪৫০ মেট্রিকটন চাল বিক্রয় করা হচ্ছে। মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ওএমএস চাল নিচ্ছে। সরকারের প্রচুর মজুদ রয়েছে। আশা করছি এতে চালের বাজার খুব শিগগির নিয়ন্ত্রণে আসবে। "  


মন্তব্য