kalerkantho


রাজশাহীর সেভ হোম থেকে নিখোঁজ তরুণী উদ্ধার

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি    

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৮:১২



রাজশাহীর সেভ হোম থেকে নিখোঁজ তরুণী উদ্ধার

গত শনিবার রাতে রাজশাহীর শাহ মখদুম থানার বায়া এলাকায় অবস্থিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেভ হোম থেকে নিখোঁজ তরুণী সুমিকে (১৬) নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে শহরের গোলাহাট ওয়াপদা মোড় এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর থানা পুলিশ।

উদ্ধার সুমি সেভ হোম থেকে পালিয়ে সৈয়দপুর আসে। আজ মঙ্গলবার সকালে তাকে পুনরায় সেভ হোমে পাঠানোর জন্য তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

সৈয়দপুর থানার ওসি মো. আমিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার রাতে অটোরিকশাযোগে শহরের উত্তরা আবাসন এলাকার দিকে যাচ্ছিল সুমি। এ সময় টহল পুলিশকে দেখে সে মুখ আড়াল করে। এতে পুলিশের সন্দেহ হলে এসআই আব্দুল আজিজ নারী পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে তাকে থানায় নিয়ে আসেন।

এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে সুমি তার নাম-পরিচয় প্রকাশসহ রাজশাহী সেভ হোম থেকে পালিয়ে এসেছে বলে জানায়। পরে তার পালিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই তার অভিভাবককে খবর দেওয়া হয়। পরে অভিভাবকের সম্মতিতে আজ তাকে সেভ হোমে পাঠানোর জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়।

সুমির মা উত্তরা আবাসনের ৬৭/২ এর বাসিন্দা ফাতেমা বেগম জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তার মেয়ে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ করে আসছিল।

এমনকি কারণে অকারণে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ পরিবারের লোকজনকে মারপিট করতো। তার এমন আচরণে তিনি জানতে পারেন তিনি মাদকাসক্ত। পরে তাকে তার নানার বাড়ি ডোমারে পাঠানো হয়। সেখানেও এমন আচরণ করায় তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডোমার থানা পুলিশ তাকে  নীলফামারী আদালতে পাঠায়। আদালত তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে রাজশাহীর শাহ মখদুম থানার বায়া এলাকার সরকারি সেভ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশে গত ২৯ আগস্ট তাকে সেভ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে ১৮ দিন থাকার পর গত শনিবার রাতে সেভ হোম থেকে পালিয়ে আসে সুমি। কিশোরীর সন্ধান পেতে তার বাবা-মাকে জানানো হলে তারাও মেয়ের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে গত সোমবার রাতে সৈয়দপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারেন সুমিকে উদ্ধারের খবর।  


মন্তব্য