kalerkantho


কমছে পানি, বাড়ছে ভাঙন ও রোগ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ আগস্ট, ২০১৭ ১০:৫৪



কমছে পানি, বাড়ছে ভাঙন ও রোগ

দেশের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হয়েছে। তবে নদ-নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।

পদ্মা ভাঙনে প্রতিদিনই ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এখনো ঘরবাড়ি তলিয়ে থাকায় দুর্গতরা বাড়ি ফিরতে পারছে না। বন্যা-পরবর্তী নানা ধরনের সংকট নিয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিশেষ করে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্য সংকটে বানভাসি মানুষ সীমাহীন কষ্টে রয়েছে। এর সঙ্গে  বাড়ছে পানিবাহিত রোগ। বিস্তারিত আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করছে। তবে পদ্মা নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। চরভদ্রাসনে উপজেলা সদরের ফাজেলখাঁর ডাঙ্গি গ্রামে ১৫টি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ নিয়ে গত দুই সপ্তাহে উপজেলা সদর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গি, ফাজেল খাঁরডাঙ্গি ও গাজীরটেক ইউনিয়নের জয়দেব সরকার ডাঙ্গি গ্রামে মোট ৪০টি বসতভিটা পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়েছে।

এসব ভাঙনকবলিত পরিবারের বেশির ভাগ উপজেলার বিভিন্ন বেড়িবাঁধ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

নওগাঁর ছোট যমুনা নদীর পানি এখনো বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আত্রাই উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে আলেফ হোসেন (৯) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার দূপুরে উপজেলার চকশিমলা গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। দুর্গতদের অভিযোগ, প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ কম পাচ্ছে তারা। গবাদি পশু খাদ্যের জোগান নিয়েও তারা বিপাকে রয়েছে।

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও বাঙ্গালি ও করতোয়ার নদীর পানি বাড়ছেই। সারিয়াকান্দি, ধুনট, সোনাতলা, শিবগঞ্জ ও নন্দীগ্রাম উপজেলার দেড় লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি। এ অঞ্চলে শুরু হয়েছে পানিবাহিত রোগ। ডায়রিয়া, সর্দি, পেটের পীড়া, জ্বরসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে আছে।

 


মন্তব্য