kalerkantho


ভোলায় চালু হলো গবাদি পশু বিমা কার্যক্রম

ভোলা প্রতিনিধি   

২২ আগস্ট, ২০১৭ ১৪:৫৯



ভোলায় চালু হলো গবাদি পশু বিমা কার্যক্রম

ভোলায় গবাদি পশু সুরক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। এতে করে ভোলার দরিদ্র মানুষের গবাদি পশু নিয়ে আর চিন্তায় বা লোকসান গুনতে হবে না।

আজ মঙ্গলবার এনজিও গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা ভেদুরিয়া শাখায় এ কার্যক্রম শুরু হয়। বিমার মাধ্যমে মৃত কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত পশুর পুরো মূল্য দেবে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা। তবে ওই গবাদি পশুকে সংস্থার সদস্য হতে হবে।  

ইতিমধ্যে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে। এলাকার প্রায় ১৫টি পরিবারের মধ্যে গবাদি পশু সুরক্ষা বিমা করা হয়েছে।

ওই শাখার প্রিন্সিপ্যাল অফিসার আমজাদ হোসেন জানান, গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতির জন্য যারা ঋণ নিয়ে নিজের গরু মোটাতাজা করে তারা মোট মূল্যের .৫০ ভাগ করে টাকা জমা দিয়ে বিমা করতে হবে। অন্য যারা ঋণ নিয়ে গরু ক্রয় করে তাদের মোট ঋণের .৭০ ভাগ জমা দিয়ে বিমা করতে হবে। এসব দায় দায়িত্ব থাকে সংস্থার। চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে দেখভাল করার দায়িত্বও সংস্থা নিয়ে থাকে।

ভেদুরিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরকালী গ্রামের মেলকার বাড়ির আবদুল বারেক জানান, তিনি তার নিজের চারটি গরুর বিমা করেছেন। বিমা করতে পেরে সে খুব খুশি। পশুরও বিমা হয় এটা ভাবতে যেন তার কাছে অবাক লাগে। তিনি আরো জানান, বিমা করার পর গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা থেকে গরুর যেকোনো রোগবালাইয়ে সব ধরনের চিকিৎসা পেয়ে আসছেন বিনামূল্যে।  

একই কথা জানালেন ওই ইউনিয়নের মাঝির হাট এলাকার হারুন বেপারি, উত্তর ভেদুরিয়ার হারুন ফরাজি, চরকালী গ্রামের মোঃ হিরনস আরো অনেকে।

এ ব্যাপারে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন জানান, দরিদ্র কৃষক ভাইদের একমাত্র সম্পদই হচ্ছে গবাদি পশু। এটা হারালে তার আর কিছুই থাকে না। তাই এদের কথা চিন্তা করে পশু বিমা চালু করা হয়েছে। কৃষক ভাইদের আর তার গবাদি পশু নিয়ে ভাবতে হবে না। বিমা করলে তারা যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে পশুর ক্ষতি হলে তারা ক্ষতি পূরণ পাবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটা শাখায় এ কার্যক্রম চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।


মন্তব্য