kalerkantho


ডিমলায় মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে ধর্ষণ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

২০ আগস্ট, ২০১৭ ২০:৩২



ডিমলায় মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে ধর্ষণ

প্রতীকী ছবি

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় মাকে বেধে রেখে বাড়ি থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার রাত তিনটার দিকে ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের চাতুনামা গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। আজ রবিবার সকালে ধর্ষিতাকে পুলিশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। বিকেলে তাকে ডাক্তারী পরিক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে আনা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানায়।

ধর্ষিতার মা ফাতেমা বেগম (৬০) অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের স্বামী এলাকার বাইরে কাজে গেছে ১০ দিন আগে। একারণে মেয়ে ও তার তিন সন্তানকে নিয়ে তার স্বামীর বাড়িতে আমি অবস্থান করছি। গতকাল শনিবার রাতে হঠাৎ করে সাত থেকে আটজন লোক এসে আমার হাত, পা, মুখ বেধে ঘরের খুটিতে বেধে রেখে মেয়েকে তুলে নিয়ে যায়।

পরে আমার নাতি নাতনিরা মুখের বাধন খুলে দেয়। এসময় আমার চিৎকারে এলাকাবাসী ও একই গ্রামের আমার ভাই এবং স্বামী এগিয়ে এসে মেয়েকে খুঁজতে থাকে। রাতে তাকে (মেয়ে) না পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসে।

পরদিন বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দুরে হাত, পা, মুখ বাধা অজ্ঞান অবস্থায় মেয়েকে পরে থাকতে দেখে এলাবাসী।

ধর্ষিতার বাবা বলেন, মানুষের কাছে খবর শুনে সেখানে দেখতে যাই। গিয়ে দেখতে পাই হাত, মুখ, পা বাধা অবস্থায় ধান ক্ষেতের একটি ফাঁকা জমিতে আমার মেয়ে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে। এসময় তার পরনের কাপড় ছেড়া ছিল। তাৎক্ষণিক থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মেয়েকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

ধর্ষিতার মামা বলেন, আমার বোন ও ভাগনির কাছে ঘটনা শুনেছি। ভাগিনিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে দর্বৃত্তরা। ঘটনার সাথে সাত থেকে আটজন জড়িত আছে। এলাকার রহিম (২৮) এবং এবং স্টারি (২৬) নামে দুই ভাইকে আমার বোন এবং ভাগিনি চিনতে পেরেছেন বলে বলে আমাকে জানিয়েছেন।

নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতাল সূত্র মতে, আজ রবিবার বিকাল চারটা ২০ মিনিটে ধর্ষিতাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাড়ে পাঁচটার দিকে তার ডাক্তারী পরিক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।  

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মফিজ উদ্দীন শেখ বলেন, মৌখিক অভিযোগে ওই নারীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিত্সা ও ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে নেয়া হয়।


মন্তব্য