kalerkantho


২৪৫ টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত

শরীয়তপুরে পদ্মার পাড়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

শরীয়তপুর প্রতিনিধি    

২০ আগস্ট, ২০১৭ ১৭:৩৬



শরীয়তপুরে পদ্মার পাড়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ছবি : কালের কণ্ঠ

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপলোর বেশ কিছু এলাকায় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পাসাপাশি রয়েছে পদ্মার ভাঙন।

একদিকে নদী ভাঙন অন্যদিকে বন্যার পানি মিলিয়ে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে পদ্মা পারের বাসিন্দরা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সুত্র জানায়, আাজ রবিবার সকাল ৬টায় শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৬ সেঃ মিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। নড়িয়া-জাজিরার প্রায় ৩ কি: মি: সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করেছে জেলার ছোট নদীগুলোর শাখা দিয়ে।  

তবে অব্যাহত রয়েছে নদী ভাঙন। এখনও সরকারি বেসরকারি ভাবে কোন ত্রাণসহায়তা পৌচ্ছায়নি বন্যা দুর্গতদের কাছে। বন্যা ও ভাঙ্গন কবলিত হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে পদ্মা পারের মানুষ। গো-খাদ্যারসহ সেনেটিসনের ব্যবস্থা না থাকায় মানবেতর জীবন কাটছে দুর্গত মানুষের।

 

শরীয়তপুরের জাজিরা ও নড়িয়ায় দুই উপজেলায় ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢোকায় পাঠদান বন্ধ রাখা হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার থেকে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় উপজেলা দুটির ২৪৫টি সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা স্থগিত ঘষণা করেছেন কর্তৃপক্ষ।  

দুর্ভোগে পরেছে জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামের মানুষ। প্রতি দিনই বন্যার পানি ঢুকে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। জেলায় ১শ ৫৮টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ারমত পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ভ্রাম্যমান মেডিক্যাল টিম চালু করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

শরীয়তপুরের জেলা দুর্যোগ পুর্নবাসন ও ত্রাণ কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো অসাভাবিক কোন বন্যার সৃষ্টি হয়নি। কিছু নিচু এলাকায় পানি ঢুকেছে। নদী ভাঙন কবলিত ১১শ ৩৭টি পরিবারের মাঝে ২০ কেজি করে চাল খাদ্য সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। আরো ১৫শ'টি পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।  


মন্তব্য