kalerkantho


শরীয়তপুরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার

শরীয়তপুর প্রতিনিধি   

২০ আগস্ট, ২০১৭ ১৫:৫৩



শরীয়তপুরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার

শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের ইটভাটায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ভিকটিম একই গ্রামের কন্যা (১৩), সে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

এ ব্যাপারে শনিবার রাতে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে দুই ধর্ষকের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

পুলিশ রাতেই ধর্ষণের দায়ে মৃত নুর হোসেনের ছেলে রাজ্জাক বেপারী (২৪) ও  একই উপজেলার কুদ্দুস খানের ছেলে রফিক খানকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনার শিকার ওই শিশুটির পরিবার ও পালং মডেল থানা সুত্র জানায়,  শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী বাড়ির পাশের বালুর মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এদিকে একই গ্রামের মৃত নুর হোসেন বেপারীর ছেলে রাজ্জাক বেপারী মেয়েটিকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ফুঁসলিয়ে মাঠ থেকে তাকে অটোবাইকে তুলে নেয়। এরপর রাজ্জাক বেপারী ও তার সহপাঠী কুদ্দুস খানের ছেলে রফিক খান মেয়েটিকে রিটন শাহার এলআরবি নামক ইটের ভাটায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ধর্ষকরা সেখানে একটি পরিত্যক্ত ঘরে ওই ছাত্রীকে আটকে রাখে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঘটনার শিকার ওই শিশুটির মা শুক্রবার তাদের বসতঘরে গিয়ে বিভিন্ন কথা জিজ্ঞাসা করে ও খোঁজ-খবর নেয়।

ওই দিনই খেলার মাঠ থেকে অপহরণ করে নিয়ে তার মেয়েকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে অমানুষিক নির্যাতন করেছে। তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ে এখনও অস্বাভাবিক অবস্থায় অচেতন রয়েছে। আমি ধর্ষকদের ফাঁসি চাই।

পালং মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ ব্যাপারে পালং মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য