kalerkantho


ক্ষয়ক্ষতি অব্যাহত

জামালপুরে বন্যায় শিশু ও গর্ভবতী নারীসহ ১৩ জনের মৃত্যু

জামালপুর প্রতিনিধি   

২০ আগস্ট, ২০১৭ ১২:৩৪



জামালপুরে বন্যায় শিশু ও গর্ভবতী নারীসহ ১৩ জনের মৃত্যু

জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে রবিবার সকালে যমুনা নদীতে বন্যার পানি বিপৎসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে গত চার দিন ধরে বন্যার পানি কমতে থাকায় এ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

জামালপুর জেলার প্রায় ৯ লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং জেলার সর্বত্রই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়াও রবিবার সকাল পর্যন্ত শিশু ও গর্ভবতী নারীসহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  

জামালপুর জেলা প্রশাসন সুত্রে জানাগেছে, এবারের ভযাবহ বন্যায় জামালপুর জেলার ৬৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫৮টি ইউনিয়ন ও ৮টি পৌরসভার ৫৮৩টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে। এ বন্যায় জামালপুরের ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৭৪২ জন মানুষ পানিবন্দি হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জামালপুরের ৪৮ হাজার ১৮৭ হেক্টর কৃষি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ভয়াবহ বন্যার কারণে সারা জেলার ১১০১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাানের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও এ বছরের ভয়াবহ বন্যার কারণে রবিবার সকাল পর্যন্ত শিশু ও গর্ভবতী নারীসহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রাসেল সাবরিন জানান, জেলার বন্যার্তদের জন্য ১৪৩৮ মেট্রিক টন চাল ও ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তন্মধ্যে ৭৬৮ মেট্রিক টন চাল ও ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

বাকি চাল ও নগদ টাকা বিতরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এ ছাড়াও বন্যার্তদের জেলা প্রশাসন ও জামারপুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে রুটি, রান্নাকরা খিচুড়ি, শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়াও বন্যার্তদের চিকিৎসাসেবার জন্য সারা জেলায় ৭৭টি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে।

 


মন্তব্য