kalerkantho


ভোলায় জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি

ভোলা প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৭ ১২:৩৯



ভোলায় জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি

ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে শুক্রবার রাতে হাতিয়ার জলদস্যু বাহিনী জাগলাচরসংলগ্ন এলাকা থেকে ১ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। অপহৃত মাঝিকে ছাড়িয়ে আনতে জলদস্যু বাহিনী ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

ট্রলার মালিক ও পরিবার সুত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।  

এ বিষয়ে মনপুরা থানার ওসির দায়িত্বে থাকা তদন্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন মিয়াকে অবহিত করা হয়েছে। অপহৃত জেলেকে গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জেলেকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসন মেঘনায় অভিযান পরিচালনা করছেন বলে জানান মো. মনির হোসেন।  

ঈদেকে সামনে রেখে জলদস্যুরা ফের মেঘনায় তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। জলদস্যুরা জেলেদের মারধর করে হামলা চালায়। জলদস্যুরা জেলেদের অপহৃত করায় জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। মেঘনায় ইলিশ মাছ ধরতে জেলেরা সাহস পাচ্ছে না। জলদস্যুদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি নন।

 
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলেদের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ফারুক মাঝি শুক্রবার মনপুরার জাগলাচরসংলগ্ন মেঘনা নদীতে ইলিশ মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। এ সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে আগে থেকে ওত পেতে থাকা হাতিয়ার জলদস্যু বাহিনীর ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জেলেদের চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে। পরে জলদস্যুরা অস্ত্র তাক করে ট্রলারে উঠিয়ে জেলেদের জিম্মি করে ফারুক মাঝির ট্রলার থেকে ফারুক মাঝির ছেলে নিকসন মাঝিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। জলদস্যুরা নিকসন মাঝির মোবাইল ফোনে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণের বিনিময়ে জেলেদের ছাড়িয়ে আনার জন্য বলেন জলদস্যু বাহিনী। অপহৃত মাঝি উপজেলা চেয়ারম্যান আড়তের বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে মনপুরা উপজেলা চেয়ারম্যান মিসেস শেলিনা আকতার চেৌধুরী বলেন, হাতিয়ার জলদস্যু বাহিনী প্রায় সময়েই জেলেদের ওপর হামলা চালায়। জেলেদের আটক করে মুক্তিপণ আদায় করে। জলদস্যু বাহিনী ফের এক জেলেকে নিয়ে গেছে। এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।


মন্তব্য