kalerkantho


ঝালকাঠিতে দুর্নীতি মামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতার জামিন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি    

১৬ আগস্ট, ২০১৭ ১৭:৪৬



ঝালকাঠিতে দুর্নীতি মামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতার জামিন

দুদকের দায়ের করা দুর্নীতি দমন আইনের মামলায় অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুল হক আকন্দ, কোষাধ্যক্ষ মুনিরুল ইসলাম তালুকদার ও বিসিকের দুই কর্মকতা। আজ বুধবার ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ বজলুর রহমান প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশ রিপোর্ট আসা পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

মমালার বিবরণে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন বাদী হয়ে গত ১৯ জুন নলছিটি থানায় দুর্নীতি দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয় ঝালকাঠি বিসিক শিল্পনগরীর প্রকল্প পরিচালক অসীম কুমার ঘোষ, সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, বিসিকের প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম খান, প্রধান কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন, ঝালকাঠি বিসিক শিল্পনগরীর স্থান বালু দিয়ে ভরাটকারী ঠিকাদার এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মুজিবুল হক আকন্দ ও জেলা  আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. মুনিরুল ইসলাম তালুকদার প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২০১৫ সালের ২৪ জুন থেকে ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ঝালকাঠি বিসিক শিল্পনগরী প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণকৃত ১১.০৮ একর জমিতে ভূমি উন্নয়ন ও মাটি ভরাট কাজের পরিমাপগ্রহণ ও বাস্তবায়নকালে চারটি ভুয়া পুকুর দেখিয়ে এবং পরবর্তীতে ওই ভুয়া পুকুরে মাটি ভরাট দেখিয়ে প্রকল্পের মোট ৫২ লাখ ৬৬ হাজার ২৫০ টাকা আত্মসাত করেন। মামলা দায়েরের পরদিন ২০ জুন বরিশাল দুদকের অনুরোধে দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকা অফিসের কর্মকর্তারা বিসিক ঢাকা প্রধান কার্যালয় থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম খান ও সহকারী প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেনকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাদেরকে ঝালকাঠি কারাগারে পাঠানো হয়।

অপর চারজন আসামি অসীম কুমার ঘোষ, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, মুজিবুল হক আকন্দ ও মুনিরুল ইসলাম তালুকদার গত ৫ জুলাই হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে হাজির হয়ে আগাম জামিন প্রার্থনা করেন।

হাইকোট চারজনকেই নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের শর্তে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন । ছয় সপ্তাহ সময় শেষ হলে আজ বুধবার ওই চারজন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে পুলিশ রিপোর্ট পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিদের পক্ষে আদালতে জামিন আবেদনের  শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ, অ্যাড. জি কে মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাড. হুমায়ুন কবীর বাবুল প্রমুখ।


মন্তব্য