kalerkantho


নোয়াখালীতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী    

২১ মার্চ, ২০১৭ ০৩:২৮



নোয়াখালীতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় স্বামীর একাধিক বিয়ের কারণে দাম্পত্য কলহের জের ধরে চার মাসের গর্ভবতী পিংকি আক্তার পপি (১৮) নামের এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী জাকের হোসেন জাবেদকে (২১) আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনের একটি পরিত্যাক্ত বাড়ী থেকে ওই গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করে। বিকালে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূ উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের মেয়ে ও একই ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামের জাকির হোসেন জাবেদের স্ত্রী। তিনি চার মাসের গর্ভবতী ছিলেন। আটক জাকির হোসেন জাবেদ একই ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামের বড় বাড়ীর দুলাল হোসেনের ছেলে।

নিহতের ছোট ভাই মো. ইউছুপ অভিযোগ করে বলেন, গত ছয় মাস পূর্বে আমার বড় বোন পিংকি আক্তার পপি’র সাথে স্থানীয় পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিয়ন জাকির হোসেন জাবেদের সাথে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে পপি জানতে পারে তার স্বামী জাবেদ এর আগেও আরো দুইটি বিয়ে করেছিলো। এনিয়ে গত কয়েক মাস ধরে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিলো।

এর জের ধরে গতকাল দুপুরের পর পপির স্বামী জাবেদ মোবাইল ফোনে তাকে পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনের একটি পরিত্যাক্ত বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়।

সেখানে কোনো এক সময় জাবেদ আমার ছোট বোন চার মাসের গর্ভবতী পপিকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। এসময় তার চিৎকারে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে জাবেদ পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে আটক করে। গুরুতর আহত চার মাসের গর্ভবতী পপি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি আমাদের জানালে আমরা সোনাইমুড়ি থানায় খবর দিই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পপির মৃতদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে আমরা সোনাইমুড়ি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।


মন্তব্য