kalerkantho


জাতীয় ক্লাব কাপ সার্ফিং

কক্সবাজারকে ডিজিট্যাল সার্ফিং সিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

১৮ মার্চ, ২০১৭ ২১:৪৪



কক্সবাজারকে ডিজিট্যাল সার্ফিং সিটি ঘোষণা

কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল সার্ফিং সিটি হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএ) ব্যবস্থাপনায় এবং দেশের শীর্ষ স্থানীয় চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ল্যাবএইড-এর পৃষ্ঠপোষকতায় দু’দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্লাব কাপ সার্ফিং টুর্নামেন্টের ফাইনালে শনিবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারকে ডিজিটাল সার্র্ফিং সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা তিন দফায় কাজ করবো। পৃষ্ঠপোষক কোম্পানিগুলোর সহায়তায় আধুনিক সার্ফিং ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তুলবো। যা হবে বিশ্বমানের একটি ট্রেনিং সেন্টার। যেখানে থাকবে আধুনিক সুযোগ সুবিধা। ’

মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক আগামী ৪/৫ বছরের মধ্যেই এর বাস্তবিক রূপ দেখছেন বলেও জানান। ক্ষুদে এবং বড় সার্ফারদের নৈপুন্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি সার্ফারদের উৎসাহিত করেন। তিনি সার্ফিং ক্লাবগুলোকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেন। পাশাপাশি সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনকে সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন। পর্যটকদের সুবিধার্থে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত এলাকাকে ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন করার ঘোষণাও দেন তিনি।

এছাড়া অনুষ্ঠানের  বিশেষ অতিথি পৃষ্ঠপোষক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ এম শামীম সার্ফিংয়ের জন্য সকল ধরনের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।

সার্ফারদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলারও কথাও ঘোষণা দেন। গরীব সার্ফারদের সার্ফিংয়ের পাশাপাশি লেখাপড়া ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।

বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশিদ এমপি বলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সহায়তায় আমরা ত্রিশ শতাংশের এক খন্ড জমি সরকারের কাছ থেকে নিয়ে সেখানে আধুনিক একটি ট্রেনিং সেন্টার করতে চাই। আমাদেরকে যদি সার্ফিংয়ের জন্য কিছু জায়গা নির্ধারণ করে দেয়া হয় তাহলে আমরা স্থায়ীভাবে কয়েকটি টাওয়ার গড়ে তুলতে চাই। তিনিও সার্ফিং ক্লাবগুলোকে পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করার ঘোষণা দেন।

শনিবার পর্যটন নগরী সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্টে হুমড়ি খেয়ে পড়েন সার্ফিং অনুরাগীরা। সার্ফারদের নৈপুণ্য যেন তাদের মধ্যে এনে দিয়েছে বাড়তি আবেদন। এই প্রথম সার্ফিং অনুরাগীরা মন ভরে দেখলেন সৈকত্যের এই জলখেলা।

প্রতিযোতিায় চারটি ইভেন্টে মোট ১৩০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। এতে পুরস্কার জিতেছেন ১২ জন প্রতিযোগী। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যৌথভাবে ওয়েব ফাইটার সার্ফিং ক্লাব এবং সার্ফার ক্লাব। রানার আপ হয়েছে গার্লস এন্ড বয়েজ সার্ফিং ক্লাব।


মন্তব্য