kalerkantho


সাবেক মেয়র পিকুলের মুক্তির দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৭ ১৮:৪১



সাবেক মেয়র পিকুলের মুক্তির দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুলকে মিথ্যা মামলায় অযথা হয়রানি না করে তাঁর মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। আজ শনিবার বিকাল তিনটার দিকে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ দাবি জানানো হয়েছে।

সাবেক মেয়রের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তাঁর বড়ভাই হাফেজ মো. শফিকুল ইসলাম, বড় ভগ্নিপতি মো. আলাউদ্দিন সরকার, ছোট ভগ্নিপতি আবদুল্লাহ আল মামুনসহ পরিবারের আরও একাধিক সদস্য। এ ছাড়া ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সৌদিআরব থেকে মেয়রের আরেক বড়ভাই আনোয়ারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।  

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, তাঁর ছোটভাই বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ ও জনপ্রিয় মেয়র ছিলেন। বিগত নির্বাচনে প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে তাঁকে পরাজিত করা হয়েছে। বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে গত ১৪ মার্চ কোনো মামলা ছাড়াই আজিজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।  

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, গত পাঁচ বছর নান্দাইল পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে পাকা সড়ক ও নালা নির্মাণ করে এলাকায় উন্নয়ন করেছে। এ ধরণের একজন জনপ্রতিনিধিকে দুই মাস আগের (গত ৫ জানুয়ারি) পুলিশ কর্তৃক দায়ের করা এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার বিষয়বস্তু হচ্ছে পুলিশকে জখম করে মাদক মামলার আসমি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।

 

এ ছাড়া আসামি হিসেবে আদালতে প্রেরণের সময় বিএনপি নেতা আজিজুলকে আন্তজেলার ত্রাস সৃষ্টিকারী ব্যক্তি হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে পুলিশ। এ ধরণের মিথ্যা ও বানোয়াট প্রতিবেদন পাঠিয়ে একজন রাজনৈতিক নেতাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার কাজে লিপ্ত হয়েছে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী।  

যিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুনামের সাথে সরকারি দায়িত্ব পালন করলেন তিনি কীভাবে আন্তজেলার ত্রাস সৃষ্টিকারী ব্যক্তি হন পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রশ্ন রাখা হয়।  

প্রসঙ্গত একটি মামলায় কারাগারে থাকা বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ও সমর্থকের মুক্তির দাবি জানিয়ে গত ১৪ মার্চ আজিজুল ইসলামের নেতৃত্বে নান্দাইল শহরের একটি সড়কে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের পরই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে দ্রুততার সাথে ময়মনসিংহের জ্যেষ্ঠ মূখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে প্রেরণ করে।  


মন্তব্য