kalerkantho


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লাশ উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১১ মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৭ ২১:২২



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লাশ উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১১ মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে লাশ উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে। তিনি হলেন, আখাউড়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আজমপুরের কৌড়াতলীর মো. মরহম আলীর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু (৩২)। পুলিশের দাবি, দেলোয়ারের বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধে অন্তত ১১টি মামলা আছে। লাশের পাশে ৩৫টি ফেন্সিডিল পাওয়া যায়। তবে পরিবার বলছে, পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে।

জানা যায়, আজ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে কসবার সৈয়দাবাদ এলাকা থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কানের কাছে আঘাতের চিহ্ন আছে জানিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে বলা হয় তার পরিচয় মেলেনি। পরে পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে তার লাশ সনাক্ত করলে পুলিশও পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদেরকে জানায়।

দেলোয়ার হোসেনের বাবা মরহম আলী জানান, গত বুধবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে সেখানকার একটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।

পরে চট্টগ্রামেই অবস্থানরত তার এক ভায়রা ভাই আবার কৌশলে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মোবাইল ফোনে এ খবর পাওয়ার পর আখাউড়া থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু পুলিশ পাত্তা দেয় নি।

কসবা থানার ওসি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, একটি ধানি জমির পাশে উঁচু স্থানে লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন খবর দিলে লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তার পরিচয় জানা যায় নি। পরিবারের লোকজন এসে তাকে সনাক্ত করে। দেলোয়ারের বিরুদ্ধে নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সীতাকুন্ড, আখাউড়া থানায় অন্তত ১১টি মামলা আছে। মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মাদক ব্যবসায়িরা তাকে হত্যা করতে পারে।  
 


মন্তব্য