kalerkantho


কক্সবাজার সাগরপাড়ে হচ্ছে বঙ্গবন্ধু চত্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার    

১৭ মার্চ, ২০১৭ ১৬:৩৬



কক্সবাজার সাগরপাড়ে হচ্ছে বঙ্গবন্ধু চত্বর

কক্সবাজারে জাতির জনকের স্মৃতি ধরে রাখার উদ্দেশ্যে সাগরপাড়ের কলাতলিতে হচ্ছে 'বঙ্গবন্ধু চত্বর। শহরের প্রবেশদ্বারেই চত্বরটি গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে বলা হয়, কক্সবাজারে বহু স্মৃতিবিজড়িত স্থান রয়েছে জাতির জনকের। তাছাড়া শহরের প্রবেশদ্বার কলাতলি দিয়ে দৈনিক হাজার হাজার পর্যটকের আনাগোনা রয়েছে-এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানটিতেই হবে চত্বরটি।

এসব স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইনানী অরণ্যের আদিবাসী পল্লী। ২০১০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে দৈনিক কালের কণ্ঠ সর্বপ্রথম  'ইনানীতে বঙ্গবন্ধুর অজ্ঞাতবাস' শিরোনামে ইনানী আদিবাসী পল্লীর অজানা কাহিনী প্রকাশ করেছিল। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারির পর এবং পরবর্তীতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় এখানে কিছুদিন অবস্থান করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু।   এ ছাড়া ১৯৭৪ সালে জাতির জনকের নির্দেশেই কক্সবাজার সাগরপাড়ের বেষ্টনি ঝাউবিথী বনায়ন করা হয়েছিল।

আজ শুক্রবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু কিশোর দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে অয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল জাতির জনকের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য 'বঙ্গবন্ধু চত্বর' গড়ে তোলার এ ঘোষণা দেন।

কক্সবাজার সাগরপাড়ের কবিতা চত্বর প্রাঙ্গণে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় এমপি সাইমুম সরোয়ার কমল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

সভায় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কারও বিতরণ করা হয়।

এর আগে দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসন কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক দিয়ে সৈকত পাড়ের কবিতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিনের কেক কাটা হয়।

 


মন্তব্য