kalerkantho


অভিযান শেষ, চলছে নিরাপত্তার কাজ, নিহত ৪

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মার্চ, ২০১৭ ১১:০৭



অভিযান শেষ, চলছে নিরাপত্তার কাজ, নিহত ৪

অপারেশন অ্যাসল্ট ১৬ তে শেষ পর্যন্ত চার জঙ্গি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে একজন নারী ও তিনজন পুরুষ জঙ্গি। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বলেছেন, চারজন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন আত্মঘাতী। তারা গ্রেনেড বিস্ফোরণে আত্মঘাতী হন। তাদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। নিহত জঙ্গিদের মধ্যে একজন নারী, তিনজন পুরুষ। সবশেষ এক জঙ্গির মরদেহ পাওয়া যায় আস্তানার ভেতরে। সেখানে একটি মরদেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। ছায়ানীড় ভবনের ভেতরে আর কোনো জঙ্গি নেই জানিয়ে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, যেহেতু ভেতরে আর কোনো জঙ্গি নেই, তাই আপাতত জঙ্গি আটক অভিযান অপারেশন অ্যাসল্ট ১৬ সমাপ্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ছায়ানীড় ভবনে এখনও অনেক বিস্ফোরকদ্রব্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

তাই ভবনের নিরাপত্তার কাজ চলছে। ভবনের ছাদে একটি অবিস্ফোরিত শক্তিশালী বোমা রয়েছে। এটি নিষ্ক্রিয়করণের কাজ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম।

এর আগে তিন জঙ্গি নিহতের খবর সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ঢাকার অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আব্দুল মান্নান। এ ছাড়াও অভিযানে জঙ্গিদের হাতে জিম্মি থাকা ১৮ জনকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে পুলিশের সোয়াত টিমের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের চট্টগ্রামে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে জঙ্গি আস্তানার ভেতরে আটকে পড়া পরিবারগুলোকে রক্ষায় ও জঙ্গিদের আটকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে গুলি ছুড়তে ছুড়তে অপারেশন অ্যাসল্ট সিক্সটিন অভিযান শুরু করে সোয়াত, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, র‌্যাব ও পুলিশের সম্বন্বয়ে গঠিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

চৌধুরীপাড়ার ছায়ানীড় ভবনের নিচতলায় ওই আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালাতে গেলে তখনও তাদের ওপর তিনটি হাতবোমা ছুড়ে মারে জঙ্গিরা। এতে সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাম্মেলসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। এরপর পুলিশ পিছু হটে পুরো আস্তানা ঘিরে রাখে। এর আগে দুপুরে সীতাকুণ্ড পৌরসভার লামারবাজার আমিরাবাদের সাধন কুটির থেকে জঙ্গি দম্পতিকে তাদের এক শিশুসন্তান সহ আটক করা হয়। দুটি আস্তানাই নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্র সংগঠন জেএমবির বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম।   এদের মধ্যে একটি আস্তানা থেকে আটক হওয়া নারী-পুরুষ জেএমবির সদস্য বলেও তিনি জানিয়েছেন।

 


মন্তব্য