kalerkantho


বাগেরহাটে পুতুল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী গ্রেপ্তার

বাগেরহাট প্রতিনিধি    

১৪ মার্চ, ২০১৭ ১৫:০১



বাগেরহাটে পুতুল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী গ্রেপ্তার

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নববধূ ও ঢাকার ইডেন কলেজের ছাত্রী শরীফা বেগম পুতুল হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মাহামুদুল আলম (৩৩) নামের ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ওই স্বামীকে র‍্যাব ৬ এর সদস্যরা সোমবার রাতে সাতক্ষীরা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট সার্কিট হাউজে র‍্যাব ৬ এর পক্ষ থেকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার মাহামুদুল আলম বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর গ্রামের দৈবকান্দি গ্রামের শামছুল আলম শিকদারের ছেলে। স্ত্রী হত্যা মামলায় বাগেরহাটের আদালত ২০১৬ সালের ১২ মে তাকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

নিহত নববধূ শরীফা বেগম পুতুল একই গ্রামের আবু দাউদ শেখের মেয়ে। তিনি ঢাকা মহিলা ইডেন কলেজের ইতিহাস বিভাগের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। বিয়ের তিন দিনের মধ্যে মেহেদির রং মোছার আগেই তাকে স্বামীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হতে হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১০ মে মাহামুদুল আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় শরীফা বেগম পুতুলের। বিয়ের তিন দিনের মধ্যে ১৩ মে রাতে নিজের বাড়িতে শয়নকক্ষে মাহামুদুল তার স্ত্রী পুতুলকে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর তিনি মোল্লাহাট থানা পুলিশের কাছে গিয়ে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন।

মেয়ে হত্যার ঘটনায় পুতুলের বাবা আবু দাউদ শেখ বাদী হয়ে মাহামুদুল আলমকে আসামি করে পরের দিন ১৪ মে মোল্লাহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পলাতক ছিলেন তিনি।

২০১৬ সালের ১২ মে বাগেরহাটের দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান পুতুল হত্যা মামলায় তার স্বামী মাহামুদুল আলমকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

খুলনা র‍্যাব ৬ এর অধিনায়ক খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, "নববধূ পুতুল হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহামুদুলকে ধরতে র‍্যাব সদস্যরা বেশ কিছুদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সাতক্ষীরা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাগেরহাটের মোল্লাহাট থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হবে। "

 


মন্তব্য