kalerkantho


বিরল রেলপথ দিয়ে পাথরবাহি ভারতীয় ট্রেন প্রবেশ

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

১১ মার্চ, ২০১৭ ২০:৫৬



বিরল রেলপথ দিয়ে পাথরবাহি ভারতীয় ট্রেন প্রবেশ

সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে ভারত, নেপাল. ভূটান এবং মায়ানমারে রেলপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের চুক্তি অনুযায়ী কাল বুধবার দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পাথরবাহি একটি ট্রেন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। রেলপথে পন্য পরিবহনের ফলে সংশ্লিষ্ট দেশের মধ্যে দ্রুত পণ্য পরিবহন এবং খরচ কমে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রেলওয়ের প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, পণ্যবাহি ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুরের সাথে বাংলাদেশের দিনাজপুরের বিরল পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন হয়ে পঞ্চগড় পর্যন্ত দেড়শত কিলোমিটার সিঙ্গেল গ্রেজ রেলপথ ডুয়েল গেজে পরিনত করা হয়েছে ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে।  

সম্প্রসারন কাজ শেষ হয়েছে গত বছরের জুনে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশ সমুহের সাথে আমদানী ও রপ্তানির কাজ ত্বরান্বিত করতে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারনসহ ২০০২ সালে বিরলসহ ১৩টি শুল্ক স্টেশনকে স্থল বন্দরে রুপান্তর করেছে সরকার।  

ভারতের রাধিকাপুর ষ্টেশন থেকে পাথর বোঝাই ৪২টি ওয়াগনের পরীক্ষামূলক একটি চালান গতকাল বিকেলে বিরল ষ্টেশনে টেনে এনেছে বাংলাদেশি রেল ইঞ্জিন। এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারতে ওয়াগন আনতে যায় ইঞ্জিনটি। পাথরবাহি ট্রেনটির শেষ গন্তব্য সিরাজগঞ্জ জেলায়। রেলপথে পন্য পরিবহনের ফলে জাতীয় রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবেন ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত ভারত এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওই মিটার গেজ রেলপথে নেপাল, ভারত এব মিয়ানমায়ের সাথে বাংলাদেশে সিমিত সংখ্যক পণ্যবাহী ট্রেন চলতো বিরল ষ্টেশন হয়ে। কিন্তু ভারত রাধিকাপুর পযর্ন্ত রেলপথ ব্রোড গেজে পরিণত করায় প্রায় ১৩ বছর ধরে রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছিল সার্কভুক্ত ওই সব দেশের মধ্যে।

প্রায় এক যুগ পরে আবারো রেলপথে পণ্য পরিবহন চালু হওয়ায় বিরলে স্থল বন্দরের উন্নয়নসহ কর্মসংস্থানের আশা করছেন ওই এলাকার মানুষেরা। দীর্ঘদিনের দাবি পুরণ হওয়ায় খুশি তারা।


মন্তব্য