kalerkantho


অদ্ভুত কারণে একই পরিবারের সাত সদস্য মানসিক ভারসাম্যহীন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি   

১১ মার্চ, ২০১৭ ১৭:১২



অদ্ভুত কারণে একই পরিবারের সাত সদস্য মানসিক ভারসাম্যহীন

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের রহমত বিশ্বাসের পরিবারের সাত সদস্য মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছেন। আকস্মিকভাবে তাঁর দুই মেয়ে, তিন ছেলে ও দুই নাতি-নাতনির এ অবস্থার পর তাদের কয়েকজনের পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।

 

অসুস্থ সাতজন হলেন রহমত বিশ্বাসের তিন ছেলে হালিম বিশ্বাস (২৮), আবদুস সবুর বিশ্বাস (২৫) ও গফুর বিশ্বাস (১৬), দুই মেয়ে ফরিদা খাতুন (৩৫) ও সালেহা খাতুন (১৪) এবং দুই নাতি-নাতনি মেহেদি হাসান (১৩) ও আয়েশা খাতুন (৬)।

রহমত বিশ্বাসের স্ত্রী নবীজান বিবি জানান, রহমত বিশ্বাসের বড় মেয়ে ফরিদা খাতুনের বিয়ে হয়েছিল ঝিনাইদহ জেলার পুয়াবাটি গ্রামে। সেখানে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যরা নির্যাতন চালাত। কিছুদিন আগে তাঁকে নির্যাতন করে পাগল আখ্যা দিয়ে বাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য খবর পাঠানো হয়।  

এরপর মেয়ে ফরিদাকে বাবার বাড়ি নেওয়ার পর পরিবারের অন্যরাও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। গত এক সপ্তাহ থেকে তাঁরা স্বাভাবিক আচরণ করছেন না, সব সময় চিৎকার-চেঁচামেচি আর গালিগালাজ করছেন। তাঁদের এখনো ডাক্তারের চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।  

স্থানীয় কয়েকজন জানান, পার্শ্ববর্তী পুকুরে পরিবারের কোন এক সদস্য একটি স্বর্ণের মূর্তি পেয়েছিল। সেই স্বর্ণ মূর্তি বিক্রি করায় তাঁরা একসঙ্গে অনেকেই পাগল হয়ে গেছে।

তবে স্বর্ণের মূর্তি পাওয়ার বিষয়টি সত্য নয় বলে জানিয়েছেন পরিবার প্রধান রহমত বিশ্বাস। প্রতিবেশী মাসুদ বিশ্বাস বলেন, ওই পরিবারের কেউ মারা যায়নি। মানসিক ভারসাম্যহীন সাতজন কোথাও কোনো দাওয়াতও খাননি। কী কারণে তাঁরা এমন হলেন, সেটা বলা যাচ্ছে না।


মন্তব্য