kalerkantho


গাইবান্ধায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ২০ লাখ টাকা দাবি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ মার্চ, ২০১৭ ০০:২৯



গাইবান্ধায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ২০ লাখ টাকা দাবি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের মাঠকর্মী তছকিনা বেগম বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তার কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করেছেন একই ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য জাহিদুল ইসলাম তারা। এ ঘটনায় তছকিনা বেগম বাদি হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

জাহিদুল ইসলাম তারা উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের সমসপাড়া গ্রামের মৃত কবির হোসেনের ছেলে। তছকিনা বেগম একই ইউনিয়নের নোদাপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

গোবিন্দগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি/তদন্ত) নাজমুল আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এএসআই আব্দুল খালেককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তছকিনা বেগম জানান, গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে তাকে মেম্বার বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে আসছিল। একপর্যায়ে তার নামে একটি প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ডের প্রতিশ্রুতি দেন। এর কিছুদিন পর তছকিনা বেগম তার নাম পরিবর্তন করে মেয়ে ছিয়ামুন নাহার সিমুর নামে ভাতার কার্ডটি দেওয়ার জন্য মেম্বারকে বলেন।

এ সময় তারা তছকিনা বেগমকে জানায়, প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ডে নাম পরিবর্তন করতে এফেডেভিট লাগবে। এ কথা বলে তিনি তছকিনা বেগমের নিকট থেকে তার ছবি সংযুক্ত নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন।

পরবর্তীতে ওই স্ট্যাম্পে ২০ লাখ টাকা কর্জ নেওয়ার চুক্তি দেখানো হয়।

তছকিনা বেগম আরো জানান, তাকে ভাতা কার্ডে নাম পরিবর্তনের কথা বলে তারা তাকে গাইবান্ধায় ডেকে এনে বিয়ে রেজিস্ট্রি করার চাপ দেন। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে এবং বলে, তোমার কাছ থেকে সাদা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া আছে। ওই স্ট্যাম্পে ২০ লাখ টাকা কর্জ নেওয়া দেখানো হয়েছে। বিয়ে না করলে ২০ লাখ টাকা দিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তারা মেম্বারের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার ছোট ভাই সমসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর আলম জানান, এখানে কিছুই হয়নি, উভয় পক্ষের অভিযোগ মিথ্যা।


মন্তব্য