kalerkantho


নিঝুম দ্বীপে কালবৈশাখী ঝড়ে দুই শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ মার্চ, ২০১৭ ২১:৫২



নিঝুম দ্বীপে কালবৈশাখী ঝড়ে দুই শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত

নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপে কালবৈশাখীর আঘাতে দুই শতাধিক কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে এবং বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়েছে। এছাড়া কয়েকটি মসজিদ ও মক্তবের টিনের ছাল উড়ে গেছে। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে এ ঝড় বয়ে যায়।  

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে আকস্মিক দ্বীপের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যায়। ঝড়টি প্রায় ২০ মিনিট স্থায়ী ছিল। ঝড়ে দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে কাঁচা ঘর ও মসজিদ-মক্তবের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া গাছপালা ভেঙে পড়ায় রাস্তাঘাটে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় ছুটোছুটি করতে গিয়ে টিনের আঘাতে কমপক্ষে ৮-১০ জন আহত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিন বলেন, ঝড়ে তাঁর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা গ্রাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রাম ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি গ্রাম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ওয়ার্ডেও কিছু কিছু কাঁচা ঘরের ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় কমপক্ষে দুই শতাধিক কাঁচাঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া ঝড়ে সিডিএসপি বাজারসংলগ্ন আবদুল ওহাব দাখিল মাদ্রাসাসহ বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা ও মসজিদ-মক্তবের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের সময় ছুটোছুটি করতে গিয়ে টিনে কাটা পড়ে ও আঘাতে নারী-শিশুসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকদের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

হাতিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ বলেন, কালবৈশাখীর আঘাতে দুই শতাধিক কাঁচা ঘরের ক্ষতি হয়েছে বলে চেয়ারম্যান তাঁকে জানিয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবে তালিকা করতে বলা হয়েছে।

নিঝুম দ্বীপে অবস্থানকারী জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা শাহজাহান কবির বলেন, বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তিনি নিজেও সড়কের ওপর গাছপালা ভেঙে পড়ে থাকতে দেখেছেন।


মন্তব্য