kalerkantho


'মন্ত্রী হলেই সংগঠন থেকে পদত্যাগ করার কোনো বিধান নেই'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৭ ১৭:৪৯



'মন্ত্রী হলেই সংগঠন থেকে পদত্যাগ করার কোনো বিধান নেই'

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, শিয়ালের গায়ে বাঘের চামড়া দিলেই সে বাঘ হয়ে যায় না, সে শিয়ালই থাকে। ৪৭ বছর ধরে ট্রেড ইউনিয়ন (শ্রমিক রাজনীতি) করছি।

মন্ত্রী বা এমপি হয়েও শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করছি। আজ শনিবার দুপুরে খুলনা হাদিস পার্কে  গ্রাম পুলিশের খুলনা বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নর জবাবে নৌমন্ত্রী আরো বলেন, ‘তার বাসায় আগেই শ্রমিক সমস্যা নিয়ে বৈঠক হয়েছে। মন্ত্রী হলেই শ্রমিক সংগঠন থেকে পদত্যাগ করতে হবে সে ধরনের কোনো বিধান নেই। আদালত বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবেন। ’

তিনি বলেন, ‘কেউ সংক্ষুব্ধ হলে যে কোনো কিছু করতে পারে। কারণ তখন তাদের স্বাভাবিক জ্ঞান লোপ পায়। ’

ভবতোষ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন গাজী ম ম আমজাদ হোসেন এমপি, গ্রাম পুলিশের প্রধান সমন্বয়কারী রাজেকুজ্জামান রতন, সাবেক এসপি মাহবুব উদ্দিন, খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ, খুলনার জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান।

প্রসঙ্গত, মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও সাংবাদিক মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন নিহতের মামলায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি বাসচালক জামির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

এই রায়ের প্রতিবাদে প্রথমে আঞ্চলিকভাবে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিকরা। এ ধর্মঘট চলাকালে সাভারে ট্রাকচাপায় এক নারী নিহতের দায়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই ট্রাকের চালকের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত। এরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে আকস্মিক পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়। এদিকে ১ মার্চ এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আহুত পরিবহন ধর্মঘটকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। একইদিন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।


মন্তব্য