kalerkantho


কুসিক নির্বাচন : সম্পদে এগিয়ে সাক্কু, শিক্ষায় সীমা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৭ ১৬:২২



কুসিক নির্বাচন : সম্পদে এগিয়ে সাক্কু, শিক্ষায় সীমা

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতায় এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা। তবে সম্পদের পরিমাণে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মনিরুল হক সাক্কু।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব জানা গেছে।

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে শিক্ষিত হচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) মামুনুর রশীদ, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিএ। বিএনপি প্রার্থী সাক্কু এসএসসি পাস ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ, বিএড। এছাড়া জাসদের (জেএসডি-রব) শিরিন আক্তার এসএসসি পাস। প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) অ্যাডভোকেট সোয়েবুর রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা এলএলবি।

এছাড়া, সাক্কুর পেশা ব্যবসা, সীমার পেশা শিক্ষকতা। মামুনের শিক্ষাগত পেশা ওষুধের ব্যবসা। জাসদের শিরিন আক্তারের পেশা ব্যবসা। প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) সোয়েবুর রহমান পেশায় আইনজীবী।

সূত্র জানায়, হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, সম্পদে এগিয়ে বিএনপির সাক্কু। গত ৫ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে, তবে তার স্বর্ণের পরিমাণ বাড়েনি। এদিকে, হলফনামার তথ্যানুযায়ী, সাক্কুর স্ত্রী আর সীমার স্বামীর স্বর্ণের পরিমাণ সমান সমান। তবে স্বর্ণ বেশি জাসদের শিরিন আক্তারের। সাক্কু ছাড়া অন্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। বিএনপি প্রার্থী সাক্কুর বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে।

সাক্কুর সম্পদ:
সাক্কুর চেয়ে তার স্ত্রীর সম্পদ বেশি। বাড়ি ভাড়া থেকে পান ৭২ হাজার টাকা, ব্যাংক থেকে সুদ আসে ২ লাখ ১২ হাজার টাকার ও সম্মানী ভাতা পান ১১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নগদ রয়েছে ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে নগদ আছে ৫৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ও ব্যাংকে জমা ৮৭ হাজার টাকা। সঞ্চয়পত্র বাবদ সাক্কুর রয়েছে ২ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর এ খাতে আছে ২৯ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। তার গাড়ি আছে দুটি। দু’জনের স্বর্ণ আছে ১০ তোলা করে। তার স্ত্রী ব্যবসায় পুঁজি খাটিয়েছেন ২ কোটি ১২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে সাক্কুর অকৃষি জমি আছে প্রায় এক একর।

অন্যদিকে, তার স্ত্রীর রয়েছে দশমিক ০৫ একর জমি। তার স্ত্রীর আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পদের মধ্যে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় সেল নিশা টাওয়ারে রয়েছে তিনটি বাণিজ্যিক দোকান, দ্বিতীয় তলায় ১২টি দোকান, তৃতীয় ও চতুর্থ তলার ৭ হাজার ২৫৬ বর্গফুটের দুটি স্পেস, ফাতেমা জাহানারা টাওয়ারে ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় দুটি ফ্ল্যাট এবং ৩ হাজার ২২৯ বর্গফুটের স্পেস।

সীমার সম্পদ:
সীমার বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে আয় ৫৪ হাজার টাকা। তিনি শিক্ষকতা পেশা থেকে আয় করেন আড়াই লাখ টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৪৬ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্র বাবদ ২০ লাখ টাকা ও স্বর্ণ ৩০ তোলা। এছাড়া তার স্বামী নিসার উদ্দিন আহমেদের রয়েছে ৩০ তোলা সোনা। আঞ্জুম সুলতানার স্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে অকৃষি জমি ১০ শতক ও টিনশেড দালান। স্বামীর অকৃষি জমি আছে ২০ শতক, ২ হাজার বর্গফুটের দ্বিতল আবাসিক দালান ও ১ হাজার ২০০ বর্গফুট তিনতলা আবাসিক দালান।


মন্তব্য