kalerkantho


মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ড

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর   

২ মার্চ, ২০১৭ ২০:৪৮



মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ড

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল সরবরাহের দায়ে মো. শহীদুল ইসলাম (৩০) ও পরীক্ষার্থীর মহসীন মিয়া হাওলাদার নামে এক পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসএম ফরিদ উদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সাপলেজা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্র ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ কারাদণ্ডাদেশ দেন।  

এতে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. শহীদুল ইসলামকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পরীক্ষার্থী মহসীন মিয়াকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। সেই সাথে দণ্ডিত পরীক্ষার্থীর খাতা জব্দ করে তাকে বহিস্কার করেন। দণ্ডিত স্কুল শিক্ষক শহীদুল ইসলাম উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের হোপলপাতি গ্রামের মো. সুলতান মাহমুদের ছেলে। দণ্ডিত পরীক্ষার্থী মো. মহসীন একই ইউনিয়নের ভাইজোরা গ্রামের মো. নূর হোসেন হাওলাদারের ছেলে ।  

থানা ও স্কুল সূত্রে জানাগেছে, আজ বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষার শেষ দিনে স্থানীয় সাপলেজা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে হিসাব বিজ্ঞান পরীক্ষায় স্থানীয় ভাইজোরা জেকেএইচ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বানিজ্য বিভাগের ছাত্র মহসীন মিয়া পরীক্ষারত ছিলেন  । পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. শহীদুল ইসলামের পরীক্ষা কেন্দ্র কোন দায়িত্ব না থাকলেও তিনি পরীক্ষা কেন্দ্র প্রবেশ করেন। এসময় পরীক্ষার্থী মহসীন কক্ষথেকে প্রশ্নপত্র নিয়ে বাইরে বের হয়ে আসে। একপর্যায় ওই শিক্ষক পরীক্ষার্থীকে অপর একটি কক্ষে গিয়ে প্রশ্নপত্রের উত্তর সরবরাহ করেন। এসময় ওই পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা শেখ মঞ্জুর এলাহি হাতে নাতে শিক্ষক ও পরীক্ষার্থী ডেকে নিয়ে পরীক্ষার উত্তরপত্র ও প্রশ্নপত্র জব্দ করে।

পরে তাদের কেন্দ্র সচিবের কক্ষে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসএম ফরিদ উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফরিদ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীকে নকল সরবরাহের সময় হাতে নাতে আটক করা হয়। ওই পরীক্ষার্থীর শেষ দিবসের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়। দণ্ডিতদের মঠবাড়িয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।  


মন্তব্য