kalerkantho


আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ

কাশিয়ানীতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি    

২ মার্চ, ২০১৭ ১৬:১৫



কাশিয়ানীতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে। মারাত্মক আহত তিনজনকে ফরিদপুর মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত বুধবার রাত ৯টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলা সদরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কাশিয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান খানের সমর্থক মনি মৃধা ও সাবেক চেয়ারম্যান খোকন সিকদারের সমর্থক করম আলী সিকদারের লোকজনের মধ্যে উপজেলা সদরের বাজার চান্দিনায় বসা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে রাত ৯টার দিকে বাজারে রঞ্জনের চায়ের দোকানের সামনে করম আলী সিকদারের ছেলে এনামুল সিকদার ও ভাতিজা রেজাউল সিকদারকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে মনি মৃধার লোকজন।

এরপর করম সিকদারের লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এই নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হয়।

এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়। মারাত্মক আহত তুহিন খান, রেজাউল সিকদার এবং এনামুল সিকদারকে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে আহতদের অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কাশিয়ানী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খোকন সিকদারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, "ঘটনার সময় আমি এলাকায় ছিলাম না। শুনেছি কাশিয়ানী উপজেলা সদরে বিকট শব্দ হয়েছে। এটা বোমা না ককটেল- তা পুলিশ বলতে পারবে। শব্দ হয়েছে এটা এলাকাবাসী শুনেছে। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত। করম সিকদার আমার সমর্থক এটা ঠিক তবে এ অনাঙ্কাখিত ঘটনায় আমার কোনও সম্পৃক্ততা নেই। "

এ ব্যাপারে অপর পক্ষের নেতা কাশিয়ানী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো.  মশিউর রহমান খান বলেন, "এর একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান দরকার। " তিনি একাধিকবার চেষ্টা করেও এলাকার এ দ্বন্দ্ব মেটাতে পারেননি বলে জানান। কাশিয়ানী  থানার ওসি আলী নূর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, "বাজার চান্দিনায় বসা ও এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত। এখনও কোনও পক্ষ অভিযোগ করেনি। করলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। " তিনি আরো বলেন, "কোনও ককটেল বিস্ফোরিত হয়নি তবে পটকা ফোটার শব্দ শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। "  

 


মন্তব্য